গাড়ি থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং না মানায় ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ 

করোনা ভাইরাসের মোকাবিলার শুরু থেকে বার বার দুটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এক, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলা, দুই, মাস্ক ব্যবহার।

করোনা ভাইরাসের মোকাবিলার শুরু থেকে বার বার দুটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এক, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলা, দুই, মাস্ক ব্যবহার।

  • Share this:

#কলকাতা: গাড়িতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। তাই গাড়ি থেকে অতিরিক্ত যাত্রী নামিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে কলকাতা পুলিশ। বৃহস্পতিবার শহরে একাধিক জায়গায় দেখা মিলল এই নিয়ে পুলিশি তৎপরতা। করোনা ভাইরাসের মোকাবিলার শুরু থেকে বার বার দুটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এক, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলা, দুই, মাস্ক ব্যবহার।

সরকার বাড়ি থেকে বেরোলে মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করার পর এখন প্রায় সবাই মাস্ক পড়ছেন। কিন্তু সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলছে না অনেকেই। সেই চিত্র বার বার ধরা পড়ছে বিভিন্ন জায়গায়। কিছু জরুরি পরিষেবা চালু হওয়ার পর এই সমস্যা বেশি করে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বাজার গুলোতে সামাজিক দূরত্ব মানার কোনও বালাই লক্ষ্য করা যাচ্ছিল না। সেখানে নরমে গরমে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। কিন্তু জরুরি পরিষেবায় নিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের কর্মস্থলে যাওয়া সময় সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলছে না।

সোমবার শহরের একাধিক জায়গায় দেখা মিলল এই নিয়ে পুলিশি তৎপরতা। শ্যামবাজার পাঁচ মাথা মোড়ে ধরা পড়ল সেই চিত্র। বেলগাছিয়ার দিক থেকে যে গাড়িগুলি আসছিল সেগুলোকে বিশেষ করে চেক করা হচ্ছেলি। চালক সহ চার জনের বেশি যাত্রী গাড়িতে থাকলেই সেই গাড়ি গুলোকে আটকায় পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিক বলেন, 'গাড়িতে সামনে দুজন আর পিছনে দু’জন বসতে পারে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে পিছনের সিটে তিন জন বসে আছেন। সে ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব মানার হচ্ছে না।'

লেকটাউনের বাসিন্দা অখিল আগরওয়ালের বড়বাজারে ডালের পাইকারি ব্যবসা আছে। এদিন সকালে বাড়ি থেকে বড়বাজার যাচ্ছিলেন। গাড়িতে তার সঙ্গে চালক-সহ আরও তিন জন যাত্রী ছিল। শ্যামবাজারের পুলিশ গাড়ি আটকায় এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ শুরু করে। অখিল আগরওয়াল বলেন, 'আমাদের প্রশাসন বলেছে দোকান খোলা রাখতে। এখনতো কোনও  যানবাহন চলছে না। ওদের বড় বাজারে দোকান আছে, আমার বাড়ির কাছাকাছি থাকে। তাই সবাই মিলে একসঙ্গে যাচ্ছিলাম।'একই ভাবে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের মধ্যে কলকাতার একটি শাখার চার জন কর্মী অফিস যাচ্ছিলেন। গাড়িতে চালক-সহ মোট পাঁচ জন ছিলেন। তাদেরও আটক করে পুলিশ। কেবল মাত্র শ্যামবাজার নয়, উল্টোভাঙ্গা, সায়েন্স সিটি, হাজার-সহ একাধিক জায়গায় দেখা এই রকম পুলিশি তৎপরতা।

Soujan Mondal

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: