আসছে বিদেশি জাহাজ, লকডাউনেও স্বাভাবিক কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর

কলকাতা বন্দর

শেষ যে বন্দর থেকে জাহাজ ছেড়েছে সেখান থেকে ১৪ দিনের সময় কষা হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই চিন থেকে একটি জাহাজ এসে পৌছনোর কথা।

  • Share this:

অত্যাবশকীয় পণ্য পরিবহণের জন্য স্বাভাবিক রয়েছে কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর। বন্দর সূত্রে খবর, দুটি বন্দরেই পণ্যবাহী জাহাজ ঢুকছে ও পণ্য খালাস করে বেরিয়ে যাচ্ছে। জাহাজ আসা যাওয়ার সংখ্যা বন্দরে স্বাভাবিকই আছে। তবে পণ্যবাহী জাহাজের নাবিক সহ সমস্ত ক্রু'দের যথাযথ ভাবে পরীক্ষা করার পরেই তবেই বন্দরের কাছাকাছি আসার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। লকডাউন ঘোষণার পরে কলকাতা বন্দরে ৫টি জাহাজ এসেছে ও ৩ টি জাহাজ বেরিয়ে গেছে।

হলদিয়া বন্দরে ৩ টি জাহাজ এসেছে ও ৭ টি জাহাজ বেরিয়ে চলে গেছে। কলকাতা বন্দরে ৪ টি জাহাজ পণ্য ওঠানো নামানোর কাজ করছে আর হলদিয়া বন্দরে ৩ টি জাহাজ পণ্য ওঠানো নামানোর কাজ করছে। বন্দর চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন, জাহাজ মন্ত্রকের তরফ থেকে যে গাইডলাইন পাঠানো হয়েছে তা মেনেই সমস্ত কাজ হচ্ছে। বন্দরের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্ত কয়েকটি দেশ থেকে জাহাজ আসলেই নাবিক সহ তাদের সমস্ত ক্রু'দের পরীক্ষা করা হচ্ছে। তারপর  সেই জাহাজকে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হচ্ছে।

শেষ যে বন্দর থেকে জাহাজ ছেড়েছে সেখান থেকে ১৪ দিনের সময় কষা হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যেই চিন থেকে একটি জাহাজ এসে পৌছনোর কথা। সেক্ষেত্রেও এই নিয়ম পালন করা হবে। এই কদিনে কলকাতা বন্দরে যে জাহাজগুলি এসেছে তাতে বেশিরভাগই পণ্যবাহী কন্টেনার। বন্দরের দেওয়া তথ্য ১১৪৭ টি কন্টেনার জাহাজ থেকে নামানো হয়েছে।

বাল্ক কার্গো নামানো হয়েছে প্রায় ৫০০ টন। হলদিয়া বন্দরে বাল্ক কার্গো সবচেয়ে বেশি নিয়ে আসা হয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতেও হলদিয়া বন্দরে ১ লক্ষ ৩ হাজার ৮৪ টন পণ্য নেমেছে। এরমধ্যে ১৮৬৯০ টন এলপিজি আছে, ২২৯৫০ টন কয়লা আছে, ৩০৫৩০ টন লোহা আকরিক আছে, ২৭৯২৫ টন হাই স্পিড ডিজেল আছে, ১৫০০ টন ফ্লাই অ্যাশ আছে ও আছে ১৬০০ টন ভোজ্য তেল। এর বেশিরভাগই ব্যবহার হবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য। এছাড়া সিমেন্ট ও ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল যাবে এই বন্দর থেকে।

বন্দরের কাজকর্ম যাতে স্বাভাবিক থাকে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান। ভিডিও কনফারেন্স করে প্রতিটি বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। আপাতত নাবিকদের বন্দরে নামার জন্য শোর সারটিফিকেট দেওয়া হচ্ছে না। বন্ধ রাখা হয়েছে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল।

ABIR GHOSHAL

Published by:Arindam Gupta
First published: