মুখ্যমন্ত্রী দিলেন বিশেষ নির্দেশ, কীভাবে সৎকার হবে প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ জেনে নিন

মুখ্যমন্ত্রী দিলেন বিশেষ নির্দেশ, কীভাবে সৎকার হবে প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ জেনে নিন
Photo- Representive

কলকাতার প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃত্যু

  • Share this:

#‌কলকাতা:‌২ রা মার্চ বিলসাপুর থেকে ফিরেছিলেন কলকাতার প্রথম করোনায় মৃত ব্যক্তি ৷ সোমবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু বাংলার প্রথম করোনায় মৃত্যুতে নথিভুক্ত হল ৷ তাঁর মৃত্যুর পরেই সামনে এসেছে নয়া চ্যালেঞ্জ ৷ কীভাবে সৎকার করা হবে এই ব্যক্তির ৷ মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে সর্বদল বৈঠকের মধ্যেই বিষয়টির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ৷

আর পাঁচজন মৃতের দেহ যেভাবে সৎকার হয় আদৌ সেভাবে সৎকার করা সম্ভব  নয় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ৷ জানা গেছে মৃতের ফুসফুস থেকে এখনও ছড়াতে পারে সংক্রমণ ৷ তাই এই মৃতদেহের অটাপ্সি করা যাবে না৷ এই অবস্থায় তাঁকে পরানো হবে বিশেষ পোশাক ৷ তাঁকে যাঁরা ক্যারি করবেন তাঁরাও পরবেন বিশেষ পোশাক ৷

যে যে জায়গা দিয়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেই সব জায়গাগুলিকে বিশেষ ভাবে শুদ্ধিকরণ করা হবে ৷ কারণ স্যানিটাইজ করা হবে পুরো জায়গাটা ৷ এদিকে দেহ নিয়েও থাকছে নানা বিধি নিষেধ ৷ পরিবারেরর কেউ মৃতদেহ ছুঁতে পারবেন না ৷  তাদেরকে খালি কভার খুলে মৃত ব্যক্তির মুখটা দেখিয়ে দেওয়া হবে ৷ এরপর যারা মৃতদেহ পরিবহন করবেন তারাই সৎকারের অর্থাৎ যেহেতু যে ব্যক্তি মারা গেছেন তিনি হিন্দু হওয়ায় তাঁর দাহ হবে ৷

যদি কোনও রীতিনীতি উপাচার করতে হয় তাহলে মৃতের আত্মীয়দের দূর থেকেই তা করতে হবে ৷ দেহ পোড়ানোর পর হিন্দু রীতি অনুযায়ি অস্থি বিসর্জন যেহেতু থাকে তাই সেটা সংগ্রহ করা যেতে পারে ৷ তবে তা খুবই অল্প এবং দ্রুত করতে হবে ৷

এদিকে এর আগে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু!‌ আতঙ্ক বাড়িয়ে করোনা কলকাতায় কেড়ে নিল প্রথম প্রাণ। দমদমের বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়ে বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর বয়স ৫৭ বছর।

ক’‌দিন আগে তাঁকে এই হাসপাতালের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। আজ তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর এসেছে। গত ১৩ তারিখ কে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওই ব্যক্তি। জ্বর, সর্দি ছিল প্রাথমিক লক্ষণ। তারপর ১৬ তারিখ থেকে তাঁর শরীর খুবই খারাপ হতে থাকে।

গত শনিবার ধরে পড়ে তিনি করোনা পজিটিভ। এর পর লাইফ সাপোর্ট দিয়ে তাঁকে সুস্থ করার চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। আজ দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের রক্তও পরীক্ষার জন্য পাঠান হয়েছে। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে এমআর বাঙুর হাসপাতালে। এছাড়া, যে ৪২ জনের সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদেরও চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য দফতর। তাঁদের রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে তাঁরাও করোনা আক্রান্ত কি না।

First published: March 23, 2020, 5:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर