করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কাশলেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা ধরে নেবে এই যন্ত্র, অভিনব আবিষ্কার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ গবেষকের

কাশলেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা ধরে নেবে এই যন্ত্র, অভিনব আবিষ্কার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ গবেষকের

গবেষক পড়ুয়ারা দাবি করছেন এই যন্ত্রটি বাজারে এলে বাস স্ট্যান্ড রেল স্টেশন এর মত জায়গাগুলোতেও করোনাভাইরাস আক্রান্তকে চিহ্নিত করা সহজ হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: বাজার বা কোন ভিড়ের মধ্যে কেউ কাশল। অবশ্য আপনার পাশেই বাজারের মধ্যে কেউ কাশলে ভয় তো ঢুকে যেতেই পারে। কিন্তু এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষকের তৈরি করা এক যন্ত্র বলে দেবে সেই কাশির সঙ্গে করোনা ভাইরাসের সম্পর্ক রয়েছে নাকি। শুধু তাই নয় এই যন্ত্র সেই ব্যক্তির অবস্থান স্পষ্ট করে চিহ্নিত করে ছবি তুলে জানিয়ে দেবে আপনাকে। এমনই আবিষ্কার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পড়ুয়া অন্বেষা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অচল মিলহানি করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ইলেকট্রনিক্স টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্নাতক তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া এই দুই মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী। দেড় বছর ধরে এই যন্ত্রের উপর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এই দুই পড়ুয়া। লকডাউন শুরুর আগে বিশেষ একটি ড্রোন তৈরি করেছেন যেটা অন্ধকারে বা ঘন জঙ্গলের মধ্যে কেউ আটকে পড়লে এই ড্রোন শব্দ সংকেত খুঁজে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে পারবে। এই কাজ চলার সঙ্গে সঙ্গেই এই দুই পড়ুয়ার মাথায় আছে করোনা ভাইরাস শরীরে আছে নাকি তা দূর থেকে জানান দেওয়ার জন্য এই যন্ত্র কাজে আসতে পারে। গত একমাস ধরে দিনরাত কাজ করেন এই দুই পড়ুয়া। তারপর এই যন্ত্রটি চিকিৎসকদেরও দেখানো হয়। এমনকি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিকেল রিসার্চ এর আধিকারিকদের এই যন্ত্রটি সম্পর্কে জানানো হয়েছে। যন্ত্রটির ক্লিনিক্যাল টেস্ট না হলেও অনেকেই এই যন্ত্রটি দেখে অবাক হয়ে গেছেন বলে জানা গিয়েছে।

কিভাবে কাজ করবে এই যন্ত্রটি? গবেষকরা জানাচ্ছেন " ধরা যাক ভিড় বাসে বা কোন অফিসে বা ক্লাসরুমে কেউ কাশলেন। এই ডিভাইসটি তখন সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান স্পষ্ট করবে। তার ছবি তুলে নেবে এই যন্ত্রটি। কিছুক্ষণের মধ্যে এই যন্ত্রটি বলে দেবে ওই আক্রান্ত ব্যক্তির কাশির সঙ্গে করোনা ভাইরাসের কাশির মিল আছে নাকি।" গবেষক পড়ুয়ারা দাবি করছেন এই যন্ত্রটি বাজারে এলে বাস স্ট্যান্ড রেল স্টেশন এর মত জায়গাগুলোতেও কাশির রূপ দেখে চিহ্নিত করে ফেলতে পারবে।

এই সেই যন্ত্র এই সেই যন্ত্র

গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই যন্ত্রটি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দাম হতে পারে। তবে একসঙ্গে একাধিক যন্ত্র তৈরি হলে খরচা অনেকটাই কমে যাবে বলে মনে করছেন এই গবেষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন " এই যন্ত্রের এখনো ক্লিনিক্যাল টেস্ট বাকি রয়েছে। তবে এই যন্ত্রটি নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী।" জানা গেছে খুব তাড়াতাড়ি এই যন্ত্রের ক্লিনিক্যাল টেস্ট হবে। তাতে ছাড়পত্র পেলেই যাদবপুরের এই দুই পড়ুয়ার গবেষণা করোনাভাইরাস কে অনেকটাই চিহ্নিত করতে পারবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

Somraj Bandopadhyay

Published by: Elina Datta
First published: April 28, 2020, 5:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर