corona virus btn
corona virus btn
Loading

যাদবপুরের পড়ুয়ারা খাবার দিচ্ছেন রোজ, লেকটাউনে চাল ডাল দিচ্ছে ক্লাব

যাদবপুরের পড়ুয়ারা খাবার দিচ্ছেন রোজ, লেকটাউনে চাল ডাল দিচ্ছে ক্লাব

প্রতিদিন খরচ হচ্ছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। ৩২ কেজি চালের ভাত, ৭–৮ কেজি ডাল, ভাঙড় থেকে পাওয়া সবজি দিয়ে রোজ রান্না হচ্ছে।

  • Share this:

#‌কলকাতা:‌ ‌কমিউনিটি কিচেন, বাংলায় যাকে বলা চলে ‘‌সমবায় রান্নাঘর’‌। লকডাউনে যাতে দরিদ্র মানুষের খাওয়া দাওয়া বন্ধ না হয়, তাই বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। উদ্যোগতাদের মধ্যে একজন, দেবযান সেনগুপ্ত জানালেন, ‘‌গত ২৩ মার্চ থেকে আমরা সেবামূলক কাজ শুরু করি। মাস্ক, স্যানিটাইজার বিতরণ করতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু তারপর খাবার দাবার দেওয়ার বিষয়টি মাথায় আসে।’‌ তারপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের উদ্যোগে শুরু হয় কমিনিউনিটি কিচেন। শেষ ২৯ দিন ধরে এই কাজ তাঁরা করে চলেছেন, মানে প্রায় ১ মাস। এখন খাচ্ছেন প্রায় ৫০০ লোক। গড়ে এত লোকের রান্না হচ্ছে রোজ। প্রতিদিন খরচ হচ্ছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। ৩২ কেজি চালের ভাত, ৭–৮ কেজি ডাল, ভাঙড় থেকে পাওয়া সবজি দিয়ে রোজ রান্না হচ্ছে। আর খাবার পৌঁছে যাচ্ছে যাদবপুর, ঢাকুরিয়ার বেশ কিছু অঞ্চলে। বলা চলে এককথায় অসাধ্য সাধন করছেন যাদবপুরের পড়ুয়ারা।

তবে প্রাক্তন পড়ুয়া থেকে সাধারণ অসংখ্য মানুষ এগিয়ে এসেছেন অর্থ সাহায্য করতে। পড়ুয়াদের হাতে রোজ পৌঁছে যাচ্ছে একটু একটু করে অর্থ। দেবযান জানালেন, যাদপুর থেকে গড়িয়ার মধ্যে এতবড় করে আর কেউ সাহায্য করছেন না, যতটা তাঁরা করছেন। একটা ১৫–১৬ জনের দল এমন করে সংকটের সময়ে সামনে দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারেন, সে অনেকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। কিন্তু করছেন যাদবপুরের পড়ুয়ারা। দিনে কম করে ১০–১২ জন নিয়মিত এই কমিউনিটি কিচেনে কাজ করছেন, রান্না করছেন, খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন এলাকায় এলাকায়।

ছবিটা এমন না হলেও, কিছুটা একই লেকটাউন নবযুবক সংঘের ক্ষেত্রেও। লকডাউনের প্রথমদিন থেকে এই ক্লাবও সমানভাবে লড়াই করে চলেছেন সাধারণ মানুষকে খাবার পৌঁছে দেওয়ার তাগিদে। প্রতি রবিবার সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে, সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মাথায় রেখে দরিদ্র, অসহায় মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।

First published: April 27, 2020, 8:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर