সুখবর ! রাজ্যে তৈরি হয়ে গেল রেলের আইসোলেশন কোচ 

রেল সূত্রে দাবি, প্রয়োজন হলে প্রায় ২০০০০ কোচ রেল তৈরি করবে। সেই কাজেই এবার হাত লাগাল পূর্ব রেল।

রেল সূত্রে দাবি, প্রয়োজন হলে প্রায় ২০০০০ কোচ রেল তৈরি করবে। সেই কাজেই এবার হাত লাগাল পূর্ব রেল।

রেল সূত্রে দাবি, প্রয়োজন হলে প্রায় ২০০০০ কোচ রেল তৈরি করবে। সেই কাজেই এবার হাত লাগাল পূর্ব রেল।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা'র মোকাবিলায় এই রাজ্যে আরও এক কদম এগোল রেল। পূর্ব রেলের তরফ থেকে তাদের চার ডিভিশনে তৈরি করা হচ্ছে আইসোলেশন কোচ। হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল ও মালদহ ডিভিশনে বানানো হচ্ছে এই সমস্ত কোচ। ইতিমধ্যেই ভারতীয় রেল মন্ত্রকের তরফে প্রায় ৫০০০ আইসোলেশন কোচ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেল সূত্রে দাবি, প্রয়োজন হলে প্রায় ২০০০০ কোচ রেল তৈরি করবে। সেই কাজেই এবার হাত লাগাল পূর্ব রেল।

ইতিমধ্যেই হাওড়া ডিভিশনের টিকিয়াপাড়া কারশেডে ৫০ টি রেকে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের উৎকৃষ্ট রেক বাছাই করে শুরু হয়েছে এই আইসোলেশন কোচ। শুক্রবারের মধ্যে বানানো হয়েছে ৫ টি আইসোলেশন কোচ। আগামী দুই সপ্তাহে বাকি কোচ তৈরি হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন টিকিয়াপাড়া কারশেডের কোচিং ডিপোর আধিকারিকরা। মুলত তৃতীয় শ্রেণীর কামরাগুলিকেই এই আইসোলেশন কোচের আকার দেওয়া হয়েছে। একটি কোচে থাকে ৯টি ক্যুপ। প্রতি ক্যুপে ছ'টি করে আসন থাকে। ফলে একটি কামরায় শুধু ক্যুপের আসন থাকে ৫৪টি। আর সাইড আসন মিলিয়ে আরও ১৮টি আসন থাকে। এই নতুন আইসোলেশন কোচের মিডল আসন সব কটি তুলে দেওয়া হয়েছে। আপার ও লোয়ার আসন থাকছে। যদিও কোচের আটটি ক্যুপের দুটি করে আসন ব্যবহার করা হবে। সব মিলিয়ে ১৬ আসন ব্যবহার হবে রোগীদের জন্য। একটি ক্যুপের ২ আসন ব্যবহার হবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য।

কোচের সাইড আসন ব্যবহার হবে চিকিৎসার সরঞ্জাম সহ নানা জিনিষ রাখার জন্য। বদল আনা হয়েছে ট্রেনের কোচের শৌচালয়। একটি কোচে চারটি শৌচালয়ের মধ্যে দুটিতে স্নান করা যাবে। দুটি শৌচালয় আগের মতোই থাকছে। প্রতিটি ক্যুপ মোটা প্লাস্টিকের পরদা দিয়ে ঢাকা থাকছে। জানলা পুরোপুরি তারজালি দিয়ে ঢাকা থাকছে। ফলে মশা বা যে কোনও পোকা ঢুকতে পারবে না। এখন থেকেই প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর স্যানিটাইজ করা হচ্ছে কামরাগুলি। জরুরি চিকিৎসার জন্য এখানে ব্যবহার করা যাবে ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপ সহ সমস্ত আধুনিক ব্যবস্থা এখানে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া থাকছে সমস্ত ক্যুপে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করার সুযোগ। মোট ৫টি কোচের কাজ পুরোপুরি শেষ। নতুন কোচে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা অন্তর বদলে ফেলা হবে চাদর-সহ সব কিছু।

Abir Ghoshal

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: