Pfizer-র কাছে ভ্যাকসিনের সুপারিশ করেছে ভারতও, তবে দেশজুড়ে ভ্যাকসিন মেলার সম্ভবনা কম!

৯০ শতাংশ কাজ করছে করোনার ভ্যাকসিন, Pfizer-র এই ঘোষণার পর থেকেই যেন করোনা যুদ্ধে মিলেছে আশার আলো৷

৯০ শতাংশ কাজ করছে করোনার ভ্যাকসিন, Pfizer-র এই ঘোষণার পর থেকেই যেন করোনা যুদ্ধে মিলেছে আশার আলো৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ৯০ শতাংশ কাজ করছে করোনার ভ্যাকসিন জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন ফার্মা সংস্থা Pfizer এবং জার্মান বায়োটেক সংস্থা BioNTech. এই টিকাকরণের ফলে কোনও রকম সংক্রমণ হচ্ছে না এবং তাই বিজ্ঞানীরা একে এখনও পর্যন্ত সুরক্ষিতই বলছেন৷ এই ঘোষণার পর খুশির হাওয়া চারিদিকে৷ দেশের ন্যাশনল এক্সপার্ট গ্রুপের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের থেকে জানা গিয়েছে যে ভারতও এর জন্য দরবার করছে৷ মার্কিন সংস্থা Pfizer-র সঙ্গে কথা বলেছে ভারতীয় প্রতিনিধিরা, এমনই খবর সূত্রের৷ তবে এখন নয়, শুরু থেকে অর্থাৎ প্রথম ধাপের পরীক্ষার সময় থেকেই ভারতের যোগাযোগ রয়েছে সংস্থার সঙ্গে৷

    যদিও সেই নিয়ে ন্যাশনল এক্সপার্ট গ্রুপের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি৷ তবে এক্সপার্ট দলের সদস্য ডাঃ রণদীপ গুলেরিয়া কিছুদিন আগে News18কে জানান যে Pfizer-র ভ্যাকসিন সম্ভবত আসতে পারে দেশে৷ কিন্তু এতে কিছু সমস্যাও থাকছে৷ কারণ Pfizer-র তৈরি ভ্যাকসিন মজুত রাখতে হবে -৭০ ডিগ্রিতে৷ অন্যদিকে মোডেরনা তৈরি ভ্যাকসিন রাখতে হবে -২৫ ডিগ্রিতে৷ তবে এই তথ্য তিনি দেন Pfizer-র সোমবারের ঘোষণার আগে৷ তিনি বলেন যে, এভাবে ভ্যাকসিন সংরক্ষিত করতে হলে গ্রামে বা ছোট শহরে সেটা দেওয়া সম্ভব নয়৷

    তবে Pfizer-র থেকে ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে কতটা উদ্যোগী হবে ভারত, তা সময়ই বলবে৷ আপাতত জানা গিয়েছে যে Pfizer-র ভ্যাকসিনের পরীক্ষা হবে ছোটদের মধ্যেও৷

    Pfizer সংস্থা চেয়ারম্যান ও সিইও অ্যালবার্ট বাউরলা জানাচ্ছেন যে, অনেকটা পথ এগিয়েছি আমরা৷ বিশ্বজুড়ে এই অতিমারীর সঙ্গে লড়াইয়ে আমরা সক্ষম হতে আর কয়েক ধাপ দূরে৷ আমাদের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ ফেজ থ্রি-তে পৌঁছেছে৷ ইতিমধ্যেই তার প্রথম ধাপ সাফল্যের সঙ্গে শেষও হয়েছে৷

    যে ভাবে কাজ এগোচ্ছে তাতে ভ্যাকসিন আসতে আর খুব বেশি সময় লাগবে না বলেই মনে করছেন সকলে৷ ভ্যাকসিন তৈরি হলেই ৫ কোটি ডোজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া হবে সংস্থার পক্ষ থেকে৷ ২০২০ মধ্যেই তা সম্ভব বলে সংস্থার আশা৷ ২০২১এর মধ্যে ১৩০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ দেওয়া সম্ভব হবে, বলছেন সংস্থার সিইও৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: