corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভারতে করোনায় মৃত্যুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী ! সংক্রমণও প্রতিদিন বাড়ছে দেশে

ভারতে করোনায় মৃত্যুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী ! সংক্রমণও প্রতিদিন বাড়ছে দেশে
Photo: Collected

গ্রাফ থেকে স্পষ্ট, করোনায় মৃত্যুকে বাগে আনা যায়নি। এমনকী, সংক্রমণও প্রতিদিনই বাড়ছে। তাহলে কি এই বিধিনিষেধ ছাড়ে কোনও বিপদ ঘটবে?

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ৩ মে ভারতে দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হয়েছে। তৃতীয় দফার লকডাউন ১৭ মে পর্যন্ত। অনেকক্ষেত্রেই বিধিনিষেধও শিথিল হয়েছে। কিন্তু, ৩ মে-র পর থেকে ভারতে করোনায় মৃত্যুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী নয়। কিন্তু তাই বলে গ্রাফ নিম্নমুখীও নয়। করোনায় সুস্থ হওয়ার গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। আবার একইসঙ্গে সংক্রমণের গ্রাফও কিন্তু উপরের দিকেই। তাহলে কি  আশঙ্কামুক্ত দেশ? তা স্পষ্ট হবে আরও কয়েকদিন পর।

করোনায় সংক্রমণ রুখতে ভরসা লকডাউন। তাই লকডাউনের মেয়াদ বেড়েছে। দেশে তৃতীয় দফার লকডাউন ১৭ মে পর্যন্ত। ২৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত দেশের করোনা পরিস্থিতি কী? সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কি নিয়ন্ত্রণে? দেখা যাচ্ছে,ভারতে করোনায় মৃত্যুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী নয়। তবে মৃত্যুর গ্রাফ নিম্নমুখীও নয়। অর্থাৎ মৃত্যুর হার না বাড়লেও, মৃত্যু কমেওনি।

তবে আশার কথা, করোনায় সুস্থ হওয়ার গ্রাফও ‍ঊর্ধ্বমুখী। অর্থা‍ৎ, করোনা থেকে সেরে উঠছেন অনেকেই। এর সঙ্গেই দুশ্চিন্তাও আছে। কারণ, করোনায় সংক্রমনের হারও বাড়ছে। সংক্রমণের গ্রাফও উপরের দিকেই।

পরিসংখ্যান বলছে, ২৫ মার্চ ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২৮ জন ৷ করোনায় ওই দিন মৃত্যু হয়নি কারোরই ৷ এরপর ২ মে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪১১ এবং মৃত্যু ৭২ জনের ৷ ৩ মে আক্রান্ত ২৪৮৭, মৃত ৭৩, ৪ মে আক্রান্ত ২৫৭৩ মৃত ৮৩, ৫ মে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮৭৫, মৃত ১৯৪ ৷ ৬ মে আক্রান্ত ২৯৫৪ এবং মৃত ১২৬ ৷ বৃহস্পতিবার ৭ মে-র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত ৩৫৬১ এবং মৃত্যু ৮৯ জনের ৷ এই ভাবে সবমিলিয়ে এতদিনে করোনায় ১৭৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে ভারতে ৷ আক্রান্ত সব মিলিয়ে ৫২,৯৫২ জন ৷

Coronavirus (COVID-19): The journey from 40,000 to 50,000 cases has taken just four days. Coronavirus (COVID-19): The journey from 40,000 to 50,000 cases has taken just four days.

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত কিন্তু করোনা থেকে একেবারে আশঙ্কামুক্ত নয়। এদিকে, ৩ মে দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হওয়ার আগে থেকেই কিছুক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়াও কিছু দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়।৩ মে-র পর থেকে বিধিনিষেধ আরও শিথিল করে দেওয়া হয়েছে। যেমন, গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে ৷ গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে কিছু ট্যাক্সিও চলছে ৷ এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি অফিস কম কর্মী নিয়ে চলছে ৷ এমনকী, রেড জোনেও অনেক পরিষেবাই স্বাভাবিক ৷ ৪ মে থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে মদের দোকানও ৷ কন্টেইনমেন্ট জোন ছাড়া রেড জোনেও মদের দোকান খুলেছে ৷ রাজ্যেগুলিতে ১০০ দিনের কাজও চলছে ৷

গ্রাফ থেকে স্পষ্ট, করোনায় মৃত্যুকে বাগে আনা যায়নি। এমনকী, সংক্রমণও প্রতিদিনই বাড়ছে। তাহলে কি এই বিধিনিষেধ ছাড়ে কোনও বিপদ ঘটবে? না কি, সুস্থ হওয়ার হার বৃদ্ধিই ইতিবাচক? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তা স্পষ্ট হতে হতে আরও ১০ দিন। অর্থা‍ৎ, ১৭ মে লকডাউন শেষেই দেশের করোনা পরিস্থিতি বোঝা যাবে।

First published: May 7, 2020, 5:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर