corona virus btn
corona virus btn
Loading

সঙ্গে রয়েছে মেয়ে, পেটে ভাত নেই যৌনপল্লির মায়েদের

সঙ্গে রয়েছে মেয়ে, পেটে ভাত নেই যৌনপল্লির মায়েদের
চোখে ভয় নিয়ে নতুন দিনের অপেক্ষায় যৌনপল্লির মায়েরা।

একই সমস্যায় রয়েছেন গোটা দেশের সমস্ত য়ৌনকর্মীরা। অনেকেই বলছেন, নোটবন্দির সময়ও এত দুরাবস্থা হয়নি।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সারা দিন অপরিচিত লোকের আনাগোনা লেগে থাকে বাড়িতে। তাই সন্তানকে এই অস্বস্তিকর দৃশ্যের থেকে একটু দূরেই রাখেন ওঁরা। আজ, এই বদলে যাওয়া আবহে দেশের অন্য মায়েদের মতো যৌনপল্লির মায়েদেরও সঙ্গেই রয়েছেন সন্তানরা। পার্থক্য শুধু একটাই, হাঁড়িতে চালের জোগান নেই ওঁদের। লকডাউনে খদ্দের না আসায় দিন কাটছে চূড়ান্ত বিপদের মধ্যে।

দিল্লির সবচেয়ে বড় যৌনপল্লি এলাকা গার্স্টিন ব্যাসটিওন রোডে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ৭৮ টি যৌনপট্টি রয়েছে। সেখানে বসবাস করেন অন্তত ২ হাজার ২২৫ জন মহিলা। গত দু' দশকের সময় ধরে একটি এনজিও এই যৌনপল্লির মায়েদের থেকে মেয়েদের আলাদাই রাখে। ৫৪ বছর বয়সি সমাজকর্মী ললিতা নায়েক ১৯৯১ সালে এ পল্লি সে পল্লি ঘুরে যৌনকর্মীদের বুঝিয়ে ছিলেন মেয়েদের মানুষ করতে দূরে রাখা জরুরি। তখন থেকেই সপ্তাহে একদিন দেখা করার সুযোগ মেলে। ১৪ বছর বয়েসের আগে মেয়েরা ঘুণাক্ষরেও জানতে পারে না, তাঁদের মায়েরা কী করেন। এই লকডাউন বদলে দিয়েছে ছবিটা। সব মেয়েরাই মায়েদের কাছে পাচ্ছেন জীবনে প্রথম বার। কিন্তু অর্থের দেখা নেই। শেষ হয়েছে সঞ্চয়ও। ‌

দিল্লির এই যৌনপল্লির সন্তান দুর্গার বয়স ১৩। সে ফিরে গিয়েছে মায়ের কাছে। ওর মা-ই বলছিলেন, "আমি এক অদ্ভুত দোটানায় পড়েছি। বহু বছর পর সারাদিনের জন্যে মেয়েটা কাছেই থাকছে। তবে চলব কী করে, খাবার জোগাড় করার টাকাটুকুও আর নেই।"

শুধুই দিল্লির যৌনকর্মীরাই নন, একই সমস্যায় রয়েছেন গোটা দেশের সমস্ত য়ৌনকর্মীরা। অনেকেই বলছেন নোটবন্দির সময়ও এত দুরবস্থা হয়নি। পেশা ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ারও পথ খোলা নেই এই মহিলাদের। হাতের উপর রাখা সন্তানের হাত, আর চোখে অজানা ভয়, যৌনকর্মীদের ললাটলিখন কি আর বদলাবে না?

Published by: Arka Deb
First published: May 10, 2020, 6:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर