corona virus btn
corona virus btn
Loading

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য রাজ্যের প্রকল্প স্নেহের পরশ, শুধু বর্ধমানেই কত আবেদনপত্র জমা হল জানেন?

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য রাজ্যের প্রকল্প স্নেহের পরশ, শুধু বর্ধমানেই কত আবেদনপত্র জমা হল জানেন?
File Image/Representative Image

এই লক ডাউন পরিস্থিতিতে তাদের অনেককেই এখনই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতেই রাজ্য সরকারের মানবিক উদ্যোগ স্নেহের পরশ।

  • Share this:

#বর্ধমান: রাজ্য সরকারের স্নেহের পরশ পেতে পূর্ব বর্ধমান জেলায় আবেদন করলেন প্রায় 22 হাজার শ্রমিক। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে লক ডাউনে আটকে পড়েছেন তাঁরা । লক ডাউনের ফলে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। উপার্জন বন্ধ। এদিকে বাস ট্রেন না চলায় তারা বাড়িও ফিরতে পারছেন না। এক সঙ্গে বেশ কয়েকজন একটি ঘরে থাকছেন। চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন তাঁরা। বাড়ি ফিরতে চেয়ে নিয়মিত তাঁরা রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন।  কিন্তু এই লক ডাউন পরিস্থিতিতে তাদের অনেককেই এখনই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতেই রাজ্য সরকারের মানবিক উদ্যোগ স্নেহের পরশ।

পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতী জানান, পূর্ব বর্ধমান জেলায় 21 হাজার 699 জন শ্রমিক স্নেহের পরশের জন্য আবেদন করেছেন।  এর মধ্যে আট হাজার আবেদন বাতিল হয়েছে। গত 24 মার্চ থেকে লক ডাউনের জন্য অন্য রাজ্যে আটকে রয়েছেন এমন শ্রমিকরা এই স্নেহের পরশ প্রকল্পের আওতায় আসবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে 24 মার্চের আগেই এ রাজ্যে ফিরেছেন এমন শ্রমিকরাও স্নেহের পরশের জন্য আবেদন করেছেন। তাদের আবেদন বাতিল হয়েছে।  বাকি 13 হাজার 499 জন সঠিকভাবে আবেদন করেছেন। তাদের কাছে এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। এক হাজার টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, এই প্রকল্পের একটি অন্যদিকও রয়েছে। কোথায় কত শ্রমিক আটকে রয়েছেন তার পরিষ্কার চিত্র এতদিন পাওয়া যাচ্ছিল না।এই স্নেহের পরশ প্রকল্পের আবেদনের ভিত্তিতে তাদেরকে চিহ্নিত করা যাচ্ছে। রাজ্য সরকারকে তাদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিলে তাদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। তাদের কাছে সেই তথ্যও পৌঁছে দেওয়া যাবে।

এই প্রকল্পের জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল স্নেহের পরশ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করেছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও এগিয়ে বাংলা থেকেও তারা আবেদন পত্র পাবেন।  মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীকে একটি করে ছবি দিতে হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোটার কার্ড বা খাদ্যসাথী কার্ডের নম্বর দিতে হচ্ছে। আবেদনকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর সহ বিস্তারিত তথ্য দিতে হচ্ছে। দিতে হচ্ছে মোবাইল নাম্বার। সেই সঙ্গে স্থানীয় সংযোগকারী হিসেবেও একজনের নাম,মোবাইল নাম্বার,আবেদনকারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক, ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি দিতে হচ্ছে। আবেদন খতিয়ে দেখার পর তা চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এক হাজার টাকা করে ঢুকে যাবে। সঙ্গে মোবাইল নম্বরে এসএমএসও পৌঁছবে।

Saradindu Ghosh

First published: April 28, 2020, 11:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर