করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা নাকি ভাইরাল জ্বর? ঋতু পরিবর্তনের আবহে কীভাবে বুঝবেন পার্থক্য? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ...

করোনা নাকি ভাইরাল জ্বর? ঋতু পরিবর্তনের আবহে কীভাবে বুঝবেন পার্থক্য? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ...

করোনা বা ভাইরাল জ্বর দু'টি ক্ষেত্রেই শারীরিক যন্ত্রণা, গলা ব্যথা, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি এবং মাথাব্যথা ইত্যাদি দেখা যায়।

  • Share this:

#বস্টন: ফ্লু আর কোভিড-১৯ এর মধ্যে তফাৎ বলতে পারবেন? জানি পারবেন না। কারণ পরীক্ষা ছাড়া সেটা বলা অসম্ভব। ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং কোভিড ১৯-র একই রকম লক্ষণ রয়েছে, তাই কী কারণে আপনি অসুস্থ হয়েছেন তা জানতে গেলে আপনাকে পরীক্ষা করাতে হতে পারে।

দু'টি ক্ষেত্রেই শারীরিক যন্ত্রণা, গলা ব্যথা, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি এবং মাথাব্যথা ইত্যাদি দেখা যায়। তা হলে? 

প্রথমত, ফ্লু আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত অসুখে প্রথম সপ্তাহেই সব চেয়ে অসুস্থ বোধ করেন। কিন্তু যাঁরা কোভিড পজিটিভ, তাঁরা দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে সব চেয়ে অসুস্থ বোধ করেন এবং তাঁরা আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য অসুস্থ থাকতে পারেন।

আরেকটি পার্থক্য কোভিড ১৯ হলে খাবারে স্বাদ বা গন্ধ পাওয়া যায় না। তবে প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই এটা হয় না। সুতরাং এটি ভাইরাস দু'টিকে আলাদা করার কোনও নির্ভরযোগ্য উপায় নয়।

সবকিছু বাদ দিলে বাকি থাকে পরীক্ষা করা। উত্তর গোলার্ধে এই সময় ঋতু পরিবর্তনের জন্য ফ্লু হওয়ার আশঙ্কা বেশি। তাই পরীক্ষা না করালে ডাক্তার সঠিক চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন না।

ব্রিস্টাম ও উইমেনস হসপিটাল এবং বস্টনের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের সংক্রামক রোগবিশেষজ্ঞ ডাক্তার ড্যানিয়েল সলোমন বলেছেন, একই সঙ্গে উভয় ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়াও সম্ভব। আপনার একই সঙ্গে দুটো ভাইরাসেরই পরীক্ষা করা দরকার কি না, সেটা নির্ভর করবে কী পরীক্ষা হবে এবং আপনি কোথায় থাকেন তার উপর।

 সলোমন অবশ্য বলেছেন, এখনই তাঁরা ইনফ্লুয়েঞ্জার গোষ্ঠী-সংক্রমণ দেখছেন না, তাই ফ্লুর জন্য এখনও ব্যাপকভাবে পরীক্ষা করার প্রয়োজন তাঁদের নেই। ফ্লু এবং করোনা ভাইরাস উভয়ই ড্রপলেটের  মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। লোকেরা অসুস্থ হয়েছেন সেটা ভাল ভাবে জানার আগে দু'টো রোগই দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে। ফ্লুয়ের সংক্রমণের ইনকিউবেশন পিরিয়ড সংক্ষিপ্ত। অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের তুলনায় ফ্লু হলে অসুস্থ বোধ করতে এক থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে, করোনা পজিটিভ হলে অসুস্থ হতে দুই থেকে চোদ্দ দিন সময় লাগতে পারে।

 গড়পড়তা হিসেব বলছে করোনা জীবাণু ফ্লুর চেয়ে অনেক বেশি সংক্রামক। তবে কোভিডে আক্রান্ত প্রচুর মানুষ যে এই রোগ ছড়ায় তা কিন্তু নয়। বরং অল্প সংখ্যক মানুষের থেকেই এই রোগ ছড়ায়। সলোমন তাই বলছেন যে দ্রুত হারে গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে কোভিড ফ্লুয়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে।

 ফ্লু প্রতিরোধের শুরু হয় বার্ষিক ফ্লু শট দিয়ে যা ফ্লুয়ের ভাইরাসের উপর প্রয়োগ করা হয়। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা চাইছেন যে এই বছর রেকর্ড সংখ্যক মানুষকে ফ্লু শট দেওয়া হোক যাতে হাসপাতালে একই সঙ্গে কোভিড ও ফ্লুয়ের রোগীর আধিক্য না হয়।

বেশিরভাগ রোগী চূড়ান্ত পরীক্ষার পর্যায়ে থাকলেও কোভিডের জন্য এখনও কোনও ভ্যাকসিন নেই। কোভিডের জন্য যে যে সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে যেমন মাস্কের ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া, ইত্যাদির ফলে ফ্লুর প্রসারও কমে যায়। তাই স্বাস্থ্য আধিকারিকরা আশা করছেন যে এই ভাবে চলতে থাকলে এই বছরের মরসুমে ফ্লুয়ের তীব্রতা হ্রাস পেতে পারে।

Published by: Shubhagata Dey
First published: September 24, 2020, 5:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर