Home /News /coronavirus-latest-news /
সর্বোচ্চ কত হবে ভারতে করোনার ভ্যাকসিনের দাম? বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছে যা জানানো হল...

সর্বোচ্চ কত হবে ভারতে করোনার ভ্যাকসিনের দাম? বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছে যা জানানো হল...

প্রথমে বলা হয়েছিল রাশিয়ার গ্যামেলিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন বাজারে আসতে আসতে সেপ্টেম্বর মাস হয়ে যাবে এবং গণহারে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে অক্টোবর মাসে। তবে সেই সময় এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে, জানা গিয়েছে, অগাস্টের শেষেই সাধারণের ব্যবহারের জন্য বাজারে চলে আসবে করোনা ভ্যাকসিন।

প্রথমে বলা হয়েছিল রাশিয়ার গ্যামেলিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন বাজারে আসতে আসতে সেপ্টেম্বর মাস হয়ে যাবে এবং গণহারে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে অক্টোবর মাসে। তবে সেই সময় এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে, জানা গিয়েছে, অগাস্টের শেষেই সাধারণের ব্যবহারের জন্য বাজারে চলে আসবে করোনা ভ্যাকসিন।

বর্তমানে দেশে করোনার ভ্যাকসিনের কাজে হাত দিয়েছে তিনটি সংস্থা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সর্বোচ্চ কত হবে ভারতে করোনার ভ্যাকসিনের দাম? সোমবার দেশে কোভিড-19  ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করা ৫টি সংস্থা কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দল (National Expert Group)-কে এই সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাল। বর্তমানে দেশে করোনা ভ্যাকসিনের কাজে হাত দিয়েছে ৩টি সংস্থা। ভারত বায়োটেক(Bharat Biotech)-এর কোভ্যাকসিন (Covaxin) এবং জাইদুস ক্যাডিলা-র (ZyCoVD) জাইকোভিড-ই হল করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের জন্য কাজ করা দুটি দেশীয় সংস্থা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় যে ভ্যাকসিনের কাজ করেছে তার জন্য ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্মা ইন্ডিয়া-র সঙ্গে কাজ করছে সেরাম ইনস্টিটিউট৷

    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় উৎপাদিত ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্মা সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা'র (AstraZeneca) সঙ্গে অংশ নিয়েছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। এই তিনটি সংস্থা ছাড়াও, বায়োলজিক্যাল ই (Biological E) এবং জেনোভা বায়োফার্মাসিউটিক্যাল (Gennova Biopharmaceuticals)-ও এই বৈঠকে অংশ নিয়েছিল।

    কোন বিষয়গুলি আলোচনা হয়?

    বৈঠকেও এই সংস্থাগুলি ভ্যাকসিন উৎপাদন প্রক্রিয়াটি দ্রুততার সঙ্গে করার জন্য সরকারের কতটা সহায়তার প্রয়োজন তা নিয়ে কথা বলে। তবে, সম্ভাব্য ভ্যাকসিনগুলি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সুরক্ষিত এবং কার্যকর হওয়ার পরেই সরকারি সাহায্য সম্ভব বলে জানানো হয়। এর আগে দেশে ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং এই ভ্যাকসিনের বিলি ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়। কোভিড-19 ভ্যাকসিন কীভাবে সংগ্রহ করা হবে এবং কীভাবেই বা তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা হবে, তা নিয়েও কথা হয়৷

    কারা এই বিশেষজ্ঞ কমিটিতে অংশ নেন ?

    কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটিতে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য কর্তা ডাঃ ভি কে পল, AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া ও বিদেশ মন্ত্রক, বায়োটেকনোলজি, তথ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য পরিষেবা মন্ত্রকের ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ার AIDS রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ অ্যান্ড স্টেটসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন৷

    গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, 'আমরা যখন বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে সবুজ সঙ্কেত পাব, তখনই আমরা বড় আকারে উৎপাদন শুরু করব। এর জন্য সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।' প্রধানমন্ত্রী মোদি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, 'আমি মানুষকে বলতে চাই যে আমাদের বিজ্ঞানীরা নিরলস কাজ করে চলেছেন এবং কঠোর পরিশ্রম করছেন।'

    করোনার ভ্যাকসিনে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা-

    নোবেলজয়ী পিটার চার্লস দোহার্টি বলেছেন যে, সাশ্রয়ী মূল্যে এই ওষুধ তৈরির নজির গড়েছে ভারত এবং এটা করোনার ভাইরাসের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    আরও পড়ুন মৃত ব্যক্তির করোনা সন্দেহ! দেহ ছুঁলো না কেউ, সাইকেলে বেঁধে পাঠানো হল সৎকারে

    কোভ্যাকসিন ভারতের প্রথম কোভিড-19 টি ভ্যাকসিন যা ভারত বায়োটেক তৈরি করছে, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (এনআইভি)-র সঙ্গে সহযোগিতায়। হায়দরাবাদের এই ভ্যাকসিন সংস্থা সফলভাবে মানব পরীক্ষার প্রথম ধাপটি সম্পন্ন করেছে। খুব শীঘ্রই এর দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল শুরু হবে।

    Zydus Cadila জাইকোভি-ডি (ZyCoV-D)নামে একটি ভ্যাকসিনও তৈরি করেছে, যার দ্বিতীয় দফায় ট্রায়াল শুরু হয়েছে। অগাস্ট থেকে। প্রথম পর্যায়ে এই ভ্যাকসিনটি নিরাপদে ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। সংস্থার চেয়ারম্যান পঙ্কজ আর প্যাটেল জানিয়েছেন যে, প্রথম পর্যায়ে ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজিক্যাল ইউনিটে ২৪ ঘণ্টা সমস্ত বিষয়ের ওপর গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। এর পরে, এটি পরবর্তী ৭ দিনের জন্য পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটিতে ভ্যাকসিনটি নিরাপদ বলেই জানা গিয়েছে।

    Published by:Pooja Basu
    First published:

    Tags: Coronavirus vaccine, COVID19

    পরবর্তী খবর