করোনায় স্বাদ গেলে কী বীভৎস হয়ে ওঠে জীবন, ভিডিও করে বুঝিয়ে দিলেন এই তরুণ! দেখুন

করোনায় স্বাদ গেলে কী বীভৎস হয়ে ওঠে জীবন, ভিডিও করে বুঝিয়ে দিলেন এই তরুণ! দেখুন

ঝাল-টক-মিষ্টি-নোনতা নানা ধরণের স্বাদে খাবারের পার্থক্য করি আমরা৷ তবে সেই স্বাদই যদি না থাকে, তাহলে কী খাচ্ছি আর কী খাচ্ছি না তার বোঝা যায় না৷

ঝাল-টক-মিষ্টি-নোনতা নানা ধরণের স্বাদে খাবারের পার্থক্য করি আমরা৷ তবে সেই স্বাদই যদি না থাকে, তাহলে কী খাচ্ছি আর কী খাচ্ছি না তার বোঝা যায় না৷

  • Share this:

    #নিউ জার্সি: মুখ থেকে বাদ গিয়েছে স্বাদ, তাই যা কিছু মুখে দিলও হচ্ছে না কোনও সমস্যা৷ কারণ কী যে খাচ্ছেন আর কী যে মুখে পুরে দিচ্ছেন তা বোঝাই যাচ্ছে না৷ জিভ হয়ে পড়েছে একেবারে অসাড়৷ করোনার ফলে এমনই হয়েছে অবস্থা৷ স্বাদ-গন্ধ দুই অনুভূতি বাদ পড়েছে শরীর থেকে৷ ফলে এক অন্য অস্বস্তিতে পড়েছেন নিউ জার্সির বাসিন্দা বছর ৩০-র রাসেল ডোনেলি৷ করোনা হলে, টেস্ট-স্মেল (Taste-Smell) থাকে না৷ এই উপসর্গ এখন সকলের জানা হয়ে গিয়েছে৷ কিন্তু স্বাদ না থাকার ফলে কী বীভৎস যে অবস্থা হয়, তা ভিডিও করে বুঝিয়ে দিলেন মার্কিন এই তরুণ৷

    সব রকম উপসর্গ থাকায় তিনি করোনার পরীক্ষা করেন৷ এবং তা পজিটিভও আসে৷ তবে সাধারণ মানুষ এবং বন্ধুদের জন্য তিনি বাড়িতে বসে করে ফেলেন আরও একটি পরীক্ষা, যার নাম দিলেন কোভিড টেস্ট টেস্ট “Covid taste test”! অর্থাৎ স্বাদের পরীক্ষা করবেন তিনি৷ মুখে যে এক বিন্দুও স্বাদ নেই, সেটা বোঝাতেই এই পরীক্ষা৷ এর জন্য তিনি প্রথমে খেয়ে নেন খানিকটা বেবি ফুড৷ যা মূলত মিষ্টি স্বাদের হয়৷ এরপরই তিনি খেয়ে নেন ক্যানে থাকা সার্ডিন মাছ৷ মাছের আঁসটে গন্ধ বা স্বাদও তিনি কিছু পেলেন না৷ এর পর তিনি মুখে ঢাললেন টক লেবু, কাচা পিঁয়াজ, রসুন৷ তবে এতটাই খারাপ অবস্থা যে একের পর এক খেয়ে গেলেও কী যে খাচ্ছেন, তা বুঝতেই পারলেন না৷ ফলে সব স্বাদ একসঙ্গে মিলিয়ে মিশিয়ে খেলেও যেন কোনও অনুভূতি হল না তাঁর৷

    ঝাল-টক-মিষ্টি-নোনতা নানা ধরণের স্বাদে খাবারের পার্থক্য করি আমরা৷ তবে সেই স্বাদই যদি না থাকে, তাহলে কী খাচ্ছি আর কী খাচ্ছি না তা বোঝা যায় না৷ খাবারের গুরুত্ব কমে যায় জীবন থেকে৷ যা এক কথায় খুবই কষ্টকর৷ আর সেই ঘটনাই ঘটছে করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে৷ একে জ্বর ও যন্ত্রণায় নাজেহাল হচ্ছেন আক্রান্তরা৷ তার সঙ্গে স্বাদ ও গন্ধ চলে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: