Corona Horror: করোনায় 'মৃত' দেহ হাসপাতাল তুলে দিল পরিবারের হাতে, শেষ মুহূর্তে স্ত্রী বললেন স্বামী তো বেঁচে!

Corona Horror: করোনায় 'মৃত' দেহ হাসপাতাল তুলে দিল পরিবারের হাতে, শেষ মুহূর্তে স্ত্রী বললেন স্বামী তো বেঁচে!

করোনা রোগী স্থিতিশীল, পরিবারের হাতে 'মৃতদেহ' তুলে দিল পটনার হাসপাতাল

'ডেথ সার্টিফিকেট' ছাপা হয়ে গিয়েছিল। চুন্নু কুমারের 'মৃতদেহ' পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছিল পটনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (PMCH) কর্তৃপক্ষ। কাঁদতে কাঁদতে সেই দেহ নিয়ে শ্মশানে পৌঁছেও গিয়েছিলেন আত্মীয়স্বজন।

  • Share this:

    #পটনা: 'ডেথ সার্টিফিকেট' ছাপা হয়ে গিয়েছিল। চুন্নু কুমারের 'মৃতদেহ' পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছিল পটনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল (PMCH) কর্তৃপক্ষ। কাঁদতে কাঁদতে সেই দেহ নিয়ে শ্মশানে পৌঁছেও গিয়েছিলেন আত্মীয়স্বজন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সন্দেহ হওয়ায় 'স্বামী'র মুখ দেখতে চান কবিতা দেবী। তাতেই 'মৃত্যু'র হাত থেকে রক্ষা পেলেন চুন্নু কুমার। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পটনা মেডিক্যাল কলেজ। বিব্রত বিহারের নীতীশ কুমার প্রশাসনও।

    পটনার বাসিন্দা বছর ৪০-এর চুন্নু কুমার। মাথায় রক্তক্ষরণের কারণে শুক্রবার তাঁকে পটনা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালে তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে রোগীর আত্মীয়দের প্রবেশ নিষেধ। তবে চুন্নু কুমারের ভাই ব্রিজ বিহারির দাবি, শনিবার পর্যন্ত তাঁরা জানতেন দাদা ভালই আছেন। 'কিন্তু রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ হাসপাতাল থেকে জানানো হয় দাদা মারা গিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কালো প্যাকেটে মোড়ানো দেহ আমাদের হাতে তুলে দেয়। আমাদের মুখ দেখেত দেওয়া হয়নি। দেহ নিয়ে গ্রামে যেতেও নিষেধ করা হয়', দাবি ব্রিজ বিহারির।

    হাসপাতালের দেওয়া সার্টিফিকেট। হাসপাতালের দেওয়া সার্টিফিকেট।

    কিন্তু শেষকৃত্যের সময় মৃতদেহের উচ্চতা নিয়ে সন্দেহ হয় চুন্নু কুমারের স্ত্রীর। 'স্বামী'র মুখ দেখতে চান কবিতা দেবী। প্লাস্টিক খুলে মুখ দেখার পরেই সকলে হতভম্ব হয়ে পড়েন। সেই মৃতদেহ চুন্নু কুমারের ছিল না। এরপরই তড়িঘড়ি পটনা মেডিক্যাল কলেজে ছোটেন প্রত্যেকে। ডেথ সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে হট্টগোল বাধিয়ে দেন। পরে ব্রিজ বিহারি কোভিড ওয়ার্ডে গিয়ে দেখেন, দাদা চুন্নু কুমার বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এমনকি আগের চেয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থারও উন্নতি হয়েছে।

    খবর পেয়ে সোমবারই পটনা মেডিক্যাল কলেজে যান স্বাস্থ্য সচিব প্রত্যয় অমৃত। সেদিনই হাসপাতালের হেলথ ম্যানেজারকে সাসপেন্ড করা হয়। গোটা ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেন পটনার জেলাশাসক চন্দ্রশেখর সিং। পটনা মেডিক্যালের সুপার আই.এস. ঠাকুর জানান, তদন্তে আর কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published:

    লেটেস্ট খবর