corona virus btn
corona virus btn
Loading

রাজারহাটের কোয়ারেন্টাইন থেকে কীভাবে কেতুগ্রামে গেলেন করোনা আক্রান্ত তরুণী! উঠছে প্রশ্ন

রাজারহাটের কোয়ারেন্টাইন থেকে কীভাবে কেতুগ্রামে গেলেন করোনা আক্রান্ত তরুণী! উঠছে প্রশ্ন

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানিয়েছেন, কেতুগ্রামের রতনপুর এলাকার তরুণী করোনা আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাদশাহী সড়কের পাশের এই গ্রামকে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরা হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে করোনা আক্রান্ত মহিলার সংস্পর্শে আসায় এলাকার ২৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিল প্রশাসন। আগেই তার পরিবারের সদস্যদের বর্ধমানের প্রি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানিয়েছেন, কেতুগ্রামের রতনপুর এলাকার তরুণী করোনা আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাদশাহী সড়কের পাশের এই গ্রামকে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরা হয়েছে। গ্রামে বাসিন্দাদের  যাতায়াতের  উপর নিয়ন্ত্রণ জারি হয়েছে। ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।  বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে আসা আটকাতে  কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রামের প্রতিটি প্রবেশ পথে  পুলিশ পাহারা রয়েছে।

কেতুগ্রামের পালিটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এই রতনপুর গ্রাম-সহ তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।  করোনা আক্রান্ত তরুণীর সংস্পর্শে আসা পরিবারের  তিন সদস্যকে  সোমবার রাতেই বর্ধমানে করোনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণীকে দুর্গাপুরের সনকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও তরুণীর সংস্পর্শে  আসা স্থানীয় ২৩ জন গ্রামবাসীকে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য দফতর। প্রত্যেককেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। আর কেউ তরুণীর সংস্পর্শে  এসেছিল কিনা  স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি দল গ্রামে তার  খোঁজ শুরু করেছে।

রাজারহাটে  কোয়ারেন্টাইনে ছিল কেতুগ্রামের এই তরুণী। তার লালা রসের নমুনা  নেওয়ার পরও তাকে কিভাবে ছেড়ে দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, কেতুগ্রামের তরুণী শনিবার  একটি অ্যাম্বুল্যান্সে কেতুগ্রামে নিজের বাড়িতে  এসেছিলেন। তিনি করোনা হেল্প লাইনে কর্মী ছিলেন। গত ২৬ এপ্রিল তরুণীর এক বন্ধুর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। সেজন্য তাকেও কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। রাজারহাটে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে  থাকার সময় বৃহস্পতিবার তরুণীর লালা রস সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু রিপোর্ট আসার আগেই তরুণী শনিবার  কেতুগ্রামে নিজের বাড়ি চলে আসে।

সোমবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিশের মাধ্যমে কেতুগ্রাম থানায় তরুনীর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। পুলিশ ও ব্লক স্বাস্থ্য দফতর তৎপরতা বাড়ায়। সোমবার  রাতেই  তরুণীকে দুর্গাপুরে সনকা হাসপাতালে  পাঠানো হয়। তরুণীর বাবা মা ও বোনকে বর্ধমানের প্রি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় আতঙ্কিত গ্রামের বাসিন্দারা।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: May 12, 2020, 6:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर