Blood Donation: রক্তদানে তৎপর, বারাণসী পুলিশের দ্রুততায় বাঁচল মহিলার প্রাণ!

Blood Donation: রক্তদানে তৎপর, বারাণসী পুলিশের দ্রুততায় বাঁচল মহিলার প্রাণ!

রক্তদানে তৎপর, বারাণসী পুলিশের দ্রুততায় বাঁচল মহিলার প্রাণ!

থানা থেকেই ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় তিনি সোজা চলে যান হাসপাতালে, রক্ত দিয়ে জীবনরক্ষা করেন মুমূর্ষু বীণা দেবীর।

  • Share this:

#বারাণসী: পুলিশের কাজ নিঃসন্দেহে মানুষকে সাহায্য করা! তবে প্রশাসনিক দিক বাদ দিলে অন্য কোনও দিক থেকে তাঁরা নাগরিকের জন্য কতটা কী করবেন, সেটা যে তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার, সেই নিয়ে কোনও সন্দেহ প্রকাশ করা চলে না। আর সেই কারণেই বারাণসীর পুলিশকর্মী রাজীব সিংয়ের (Rajeev Singh) নাম আপাতত সবার মুখে মুখে ঘুরছে। মানবিকতার দিক থেকে অতি দ্রুত রক্তদানের তাঁর উদ্যোগ প্রাণ বাঁচিয়েছে বারাণসীর আরেক বাসিন্দা বীণা দেবীর।

রাজীবের একটি ছবি দিয়ে ঘটনাটির কথা সম্প্রতি নিজেদের Twitter হ্যান্ডেলে সবার সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছে বারাণসী পুলিশ। জানা গিয়েছে যে বীণা দেবীকে রক্তদানের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারটি রাজীব জানতে পারেন এক WhatsApp গ্রুপ থেকে। তিনি জানতে পারেন যে বীণা দেবীর জন্য কোনও রক্তদাতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, অথচ তাঁকে বাঁচাতে হলে সত্বর রক্ত দিতে হবে। এর পর আর বেশি কিছু ভাবেননি রাজীব। থানা থেকেই ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় তিনি সোজা চলে যান হাসপাতালে, রক্ত দিয়ে জীবনরক্ষা করেন মুমূর্ষু বীণা দেবীর।

রাজীবের এই কাজ খুব স্বাভাবিক ভাবেই সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মন জয় করে নিয়েছে। অনেকে তাঁকে এই মহত্বের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন সরাসরি। তেমনই অনেকে আবার এটা স্পষ্ট ভাবে লিখতে দ্বিধা করেননি যে রাজীবের মতো সক্রিয় এবং মানবিক পুলিশকর্মী আছেন বলেই সমাজে এখনও পর্যন্ত শৃঙ্খলা বজায় আছে, এই রকম পুলিশকর্মী আছেন বলেই দেশে মানুষ বিপদের দিনেও সুস্থ আছে!

তবে এটি যদি রাজীবের ব্যক্তিগত উদ্যোগ হয়, সার্বিক ভাবে এই করোনাকালে বারাণসী পুলিশের উদ্যোগও কিন্তু খুবই প্রশংসনীয়। করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গে দেশ যখন টালমাটাল, চার দিকে কেবল নেই আর নেই হাহাকার, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের অসহায়তা বাড়িয়ে তুলছে নানা ধরনের ভুয়ো খবর। যার কিছু আতঙ্ক বাড়িয়ে তুলছে, কিছু আবার পরিষেবা প্রদানের নাম করে কার্যসিদ্ধি করতে ব্যস্ত। এই ধরনের ভুয়ো খবর যাঁরা ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বারাণসী পুলিশ। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে, পাশাপাশি চলছে তাঁদের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া খবরের সত্যতা যাচাইয়ের কাজও!

Published by:Raima Chakraborty
First published: