corona virus btn
corona virus btn
Loading

'বাংলায় করোনা মৃত্যুর হার ১৩.২ শতাংশ, দেশে সর্বাধিক', রাজ্যকে ফের চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

'বাংলায় করোনা মৃত্যুর হার ১৩.২ শতাংশ, দেশে সর্বাধিক', রাজ্যকে ফের চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের
ফের রাজ্যকে কড়া চিঠি কেন্দ্রের৷ PHOTO- FILE

অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়তে হবে বলেও স্বরাষ্ট্রসচিবের চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে৷

  • Share this:
 

#কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ১৩.২ শতাংশ৷ যা গোটা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি৷ অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভল্লা৷ রাজ্যে নজরদারি এবং রোগী চিহ্নিতকরণ কম হচ্ছে বলেও চিঠিতে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব৷

কয়েকদিন আগেই কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছিল কেন্দ্রীয় সরকারের দু'টি দল৷ সেই দলগুলির থেকে পাওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কড়া চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব৷ চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, কলকাতা এবং হাওড়ার মতো অনেক জায়গাতেই কিছু গোষ্ঠীর মানুষ লকডাউনের নিয়ম ভাঙছে৷ মাস্ক না পরেও রাস্তায়, বাজারে ভিড় করা হচ্ছে বলেও চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে৷ শুধু তাই নয়, লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে রাজ্যে একাধিক জায়গায় করোনা যোদ্ধারা আক্রান্ত হচ্ছেন বলেও চিঠিতে অভিযোগ তোলা হয়েছে৷

চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব চিঠিতে লিখেছেন, রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় দলের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে যে যে পরামর্শ দিয়েছিল, সেগুলি যেন মেনে চলে রাজ্য সরকার৷ জনবহুল এলাকাগুলিতে আরও বেশি করে পরীক্ষার পরামর্শও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব৷ অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়তে হবে বলেও স্বরাষ্ট্রসচিবের চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে৷

চিঠিতে নির্দিষ্ট ভাবে স্বরাষ্ট্রসচিব লিখেছেন, 'কোভিড ১৯ মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা অনুপাতে পরীক্ষার হার খুবই কম এবং মৃত্যুর হার ১৩.২ শতাংশ, যা অত্যন্ত বেশি এবং অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক৷' চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, 'রাজ্যে কম নজরদারি, রোগী চিহ্নিতকরণ এবং পরীক্ষা যে কম হচ্ছে, এই পরিস্থিতি তারই প্রতিফলন৷ জনসংখ্যা বেশি রয়েছে, এমন এলাকাগুলিতে পরীক্ষা আরও বাড়াতে হবে৷'

Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 6, 2020, 8:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर