• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • কোন্নগরে লকডাউন নিয়ে দুশ্চিন্তা!‌ বাজার, দোকানে লম্বা লাইন ক্রেতাদের

কোন্নগরে লকডাউন নিয়ে দুশ্চিন্তা!‌ বাজার, দোকানে লম্বা লাইন ক্রেতাদের

লকডাউন হবার আগে ঘরের বাইরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা, কারণ রোজকার জিনিস জমা করে নেবেন ঘরে।

লকডাউন হবার আগে ঘরের বাইরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা, কারণ রোজকার জিনিস জমা করে নেবেন ঘরে।

লকডাউন হবার আগে ঘরের বাইরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা, কারণ রোজকার জিনিস জমা করে নেবেন ঘরে।

  • Share this:

#‌কোন্নগর:‌ রবিবারের জনতা কার‌ফিউয়ের পরের আবেদন ছিল, সোমবার একইভাবে শুনশান থাকুক রাস্তা। কিন্তু সেই সোমবারই প্রচুর লোক দেখা গেল কোন্নগরের রাস্তায়। নিয়ম অনুযায়ী সোমবার বিকেল থেকে হুগলি জেলার কোন্নগরেও জারি হচ্ছে লকডাউন। লকডাউন হলেও মুদির দোকান, ওষুধের দোকান, ব্যাঙ্ক সেই আওতার বাইরে। তবু যেন কিসের একটা আতঙ্ক!‌ তাই সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিতে হুড়মুড় করে বেরিয়ে পড়লেন বাইরে। কোন্নগরের নৈটি রোডে সোমবার সকাল থেকেই দেখা মিলল প্রচুর লোকের!‌ যা কার্যত জমায়েতের সঙ্গে তুলনা করা যায়। করোনা এড়াতে এই জমাযেতেই যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেটা মাথায় নেই কারওর।

কোন্নগরবাসীর বক্তব্য, লকডাউন হবার আগে ঘরের বাইরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা, কারণ রোজকার জিনিস জমা করে নেবেন ঘরে। কিন্তু এই বুদ্ধি যে আসলে ক্ষতি করবে সাধারণ মানুষেরই, তা মাথায় রাখছেন না কেউ। চিকিৎসকদের বক্তব্য, ‘‌এই ধরনের জমায়েতই ভয়ানক করোনা ভাইরাসের জন্য।’‌

সোমবার কোন্নগরের মুদির দোকানগুলির মধ্যে মুরারি ঘোষের দোকানেও দেখা মিলল প্রচুর লোকের। বেশিভাগ ক্রেতাদের বক্তব্য পরবর্তী সময় প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী আদৌ মিলবে কিনা জানা নেই। তাই বেশি করেই মজুত রাখার চেষ্টা করছেন তাঁরা। মুরারি ঘোষ জানান, ‘‌মাসের ২৩ তারিখ এত ক্রেতা কবে দেখিছি মনে পড়ছে না। একই ভিড় কোন্নগরের কানাইপুর শাখার ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ায়। যদিও কর্তৃপক্ষ সচেতন। দুই- তিন জনের প্রবেশ ব্যাঙ্কে থাকলেও বাইরে লম্বা লাইন, সবাই গা ঘেঁসে করে দাঁড়িয়ে।

অন্যদিকে কোন্নগরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানেও দেখা মিলল উপচে পড়া ভিড়। প্রথমে অবাক হলেও পরে জানা যায় লকডাউনের পরে দরকারি ওষুধ যদি না পাওয়া যায় তার জন্যই দোকানে ভিড়। দোকানের বিক্রেতা সঙ্গীত জানা বলেন, ‘‌প্রতি মাসেই অনেক ওষুধ লাগে বিভিন্ন ক্রেতার। সেগুলো মাস শুরু আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছে। তাঁদের ভয়, যদি পরে না মেলে পরে।’‌ ক্রেতা রবি হালদার জানান, ‘‌দোকান খোলা থাকলেও ওষুধ না থাকলে তো বিপদ, তাই আগেই কিনে নিচ্ছি।’‌

Susovan Bhattacharjee

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published: