আচমকা করোনার দাপট বাড়ার কারণ কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

আচমকা করোনার দাপট বাড়ার কারণ কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী?

ফের বাড়ছে করোনার দাপট।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের দাবি, '৮৫ শতাংশ করোনার ঘটনায় ঘটছে পাঁচ থেকে ছ'টি রাজ্যের মধ্যে। আর আচমকা এভাবে করোনার দাপট বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণই হল মানুষ করোনার বিধি মানছেন না।'

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ২০২০-র শেষ দিকটায় করোনা সংক্রমণের প্রতিদিনের হারে হ্রাস টানতে পেরেছিল ভারত। কিন্তু ২০২১ পড়তেই ফের লাগামছাড়া হয়ে উঠছে কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ। কিন্তু কী কারণে আচমকা এ ভাবে বাড়তে শুরু করল এই করোনা? সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর হর্ষবর্ধনের কপালেও ছিল এই নিয়েই চিন্তার ভাঁজ। দেশের কয়েকটি রাজ্যে ফের করোনার দাপট বেড়ে ওঠার কারণও বলেছেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের দাবি, '৮৫ শতাংশ করোনার ঘটনায় ঘটছে পাঁচ থেকে ছ'টি রাজ্যের মধ্যে। আর আচমকা এভাবে করোনার দাপট বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণই হল মানুষ করোনার বিধি মানছেন না।' শনিবারই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরিখে দৈনিক করোনা সংক্রমণে ভারতের স্থান শীর্ষে থাকার পরই এ নিয়ে সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বার বার তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, গত বছরের মতোই এ বছরও প্রত্যেক মানুষকে করোনার বিধি ভালো ভাবে মেনে চলতেই হবে। নইলে করোনাভাইরাসের মারণ দ্বিতীয় ঢেউ আটকানো সম্ভব হবে না।

    সোমবার ফের করোনা সংক্রমণে রেকর্ড গড়ে নতুন করে আক্রান্ত ২৬ হাজার ২৯১ জন। চিকিৎসকদের দাবি, সতর্ক না হলে খুব শীঘ্রই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসবে এবং ফের দেশকে লকডাউনের পথে হাঁটতে হবে। গত ৮৫ দিনে দেশে একদিনে সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হয়েছে রবিবার। সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,১৩,৮৫,৩৩৯ জন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রকের খবর অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১,৫৮,৭২৫ জনের। গত একদিনে নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ১১৮ জনের। গত পাঁচদিন ধরে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সুস্থতার হার কমেছে ৯৬.৬৮ শতাংশে। সেক্ষেত্রে আক্রান্তের হার বেড়েছে ১.৯৩ শতাংশ। গত ডিসেম্বর থেকে হিসেব করলে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা একদিনে হয়েছে ২৬,২২৪ জন। গত ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে এই তিন মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণে করোনার সংক্রমণ হয়েছে। মহারাষ্ট্র, কেরালা, কর্নাটক এবং গুজরাটে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে করোনার সংক্রমণ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। এক বছরের হিসেবেও মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী ধরা পড়েছেন। শনিবারেই শুধু মহারাষ্ট্রে ১৫ হাজার করোনা রোগী ধরা পড়েছেন।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published:

    লেটেস্ট খবর