• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • অনিশ্চিত ভবিষ্যত-বিয়ে, নতুন জীবন-জীবিকা সবই কেড়েছে করোনা

অনিশ্চিত ভবিষ্যত-বিয়ে, নতুন জীবন-জীবিকা সবই কেড়েছে করোনা

লকডাউনের মেয়াদ কবে শেষ তা কারুর জানা নেই। উদ্বেগের মধ্যেই কাটছে জীবন। কোথাও কারুর চাকরি যাচ্ছে, কোথাও পে কাট, কোথাও আবার নো ওর্য়াক নো পে।

লকডাউনের মেয়াদ কবে শেষ তা কারুর জানা নেই। উদ্বেগের মধ্যেই কাটছে জীবন। কোথাও কারুর চাকরি যাচ্ছে, কোথাও পে কাট, কোথাও আবার নো ওর্য়াক নো পে।

লকডাউনের মেয়াদ কবে শেষ তা কারুর জানা নেই। উদ্বেগের মধ্যেই কাটছে জীবন। কোথাও কারুর চাকরি যাচ্ছে, কোথাও পে কাট, কোথাও আবার নো ওর্য়াক নো পে।

  • Share this:

#কলকাতা: এ যেন একেবারে দুঃস্বপ্ন।করোনার কারণে বিপর্যস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবন।লকডাউনের মেয়াদ কবে শেষ তা কারুর জানা নেই। উদ্বেগের মধ্যেই কাটছে জীবন। কোথাও কারুর চাকরি যাচ্ছে, কোথাও পে কাট, কোথাও আবার নো ওর্য়াক নো পে। এটাই যেন এখন সব জায়গায় আলোচনার বিষয়।

এদিকটা যেমন আছে ঠিক তেমনই চিন্তায় আছেন সেই সব মানুষ এবং পরিবার যাদের এই বছর  কথা ছিল বিয়ে হওয়ার। চরম বিপাকে পড়েছেন সেই মানুষগুলো।ধরে নেওয়া যাক সুমন রায়ের কথা। দীর্ঘ দিন ধরে ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। এই বছর জুন মাসে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। যাকে বিয়ে করবেন তিনিও ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রিতেই আছেন। কত স্বপ্ন দুজনের।কিছুদিন আগেই ছুটি নিয়ে বাড়িটা ভালো করে মেরামত করলেন সুমন। রং করা, নতুন আসবাব বানানো, আরো টুকটাক কত কি। বাড়ি যেটা বুকিং করেছিল দু-পক্ষই তার অ্যাডভান্স থেকে শুরু করে কেটারার, ডেকরেটার সবারই অ্যাডভান্স দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। তারই মধ্যে শুরু হয়েছে লকডাউন। "যা টাকা ছিল সব আটকে গেছে বিয়ের খরচায়। অ্যাডভান্স দিয়েছি কিন্তু আদৌ বিয়েটা  এই বছর হওয়া সম্ভব কিনা জানি না। বেশ চিন্তাতে আছি।" জানান সুমন।

এদিকে আবার বন্ধ ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রি। শেষ মাস অবধি বেতন পেয়েছেন সুমন। কিন্তু জিম বন্ধ থাকার কারণে নো ওয়ার্ক নো পে হয়।তার মানে বোঝাই যাচ্ছে কার্যত বেকার হয়ে গেলেন সুমন রায়। "আগের এক মাস অবধি বেতন দেওয়া হয়েছে কিন্তু যেহেতু জিম এখন বন্ধ সেখানে দাঁড়িয়ে আর আমাদের স্যালারি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷ ‘যেটুকু পুঁজি ছিল তা প্রায় সবটাই চলে গেছে বিয়ের অ্যাডভান্সে।সত্যি জানিনা কত দিন টানতে পারব।"জানান চিন্তিত সুমন।

সুমনের মতো বেশ বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতি খানিকটা অবশ্য অবসাদের কারণও হয়ে গিয়েছে সুমনের জন্য। "বিয়ে তো সবাইকে নিয়ে আনন্দ করে করার মতন একটা অনুষ্ঠান। দুই পরিবারের লোকজন থাকবে..... কিন্তু এখন যা অবস্থা লকডাউন যদি উঠেও যায়।বিয়ে বাড়ির অ্যাটেন্ড করতে কতজন ইন্টারেস্ট দেখাবেন সেটাও একটা প্রশ্ন।সেক্ষেত্রে কবে কি হবে জানা নেই।" বলেন সুমন রায়।

অনেক জিমই এর মধ্যে অনলাইন ক্লাস শুরু করে দিয়েছে। আপনাকে ব্লক করতে হবে ক্লাস ডেট। সেই জন্য অনলাইনে দিতে হবে টাকা।কিন্তু জিমে গিয়ে শরীর চর্চা আর অনলাইনে, অনেকটাই পার্থক্য থেকে যায়। তাই এই ব্যবস্থায় খুব কম মেম্বার ইচ্ছুক হবেন। সেরকম পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সুমনের মতন বহু মানুষের ভবিষ্যৎ এখন সত্যি অন্ধকারে।

Sreeparna Dasgupta

Published by:Elina Datta
First published: