corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার মৃদু লক্ষণ আছে যাঁদের থাকুন হোম আইসোলেশনে, নতুন নির্দেশিকা জারি করে যা জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

করোনার মৃদু লক্ষণ আছে যাঁদের থাকুন হোম আইসোলেশনে, নতুন নির্দেশিকা জারি করে যা জানাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক
Representative Image

নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন নির্দেশিকা

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক জানিয়ে দিল করোনা ভাইরাসের মৃদু লক্ষণ কিম্বা কোভিড ১৯ -র প্রাক উপসর্গ আছে যাদের তাদের হোম আইসোলেশনে থাকার অনুমতি আছে ৷ তবে এটা এটা তাঁরাই করতে পারবেন যাঁদের বাড়িতে এই ধরণের সুবিধা রয়েছে ৷

এই নয়া নির্দেশিকায় কনটেইনমেন্ট পর্বের জন্য বিশেষ কিছু গাইডলাইন দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক ৷ রোগিদের প্রথমে ভাগ করতে হবে যাতে অতি অল্প লক্ষণ, অল্প লক্ষণ, মাঝারি লক্ষণ ও মারাত্মক লক্ষণ এরকম হবে ৷ তার ভিত্তিতে হাসপাতাল বা কোভিড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হবে ৷

মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যদিও অতি অল্প লক্ষণ, অল্প লক্ষণের রোগিদের অনুরোধ করা হচ্ছে তাদের সেলফ আইসোলেশনে থাকার অপশন থাকলে তাদের বাড়িতে থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে ৷ ’

কারা যাবে হোম আইসোলেশনে? 

ব্যক্তি যাঁকে ক্লিনিক্যালি খুব মৃদু লক্ষণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে তাকে যদি মেডিক্যাল অফিসার অনুমতি দেয় তাহলে বাড়িতে থাকতে হবে ৷ তবে তার আগে আইসোলেশন এগ্রিমেন্টে আন্ডারটেকিং দিতে হবে ৷

• তাদের বাড়িতে থাকতে হবে একেবারে সেলফ আইসোলেশনে পরিবারের বাকি সদস্যদের থেকেও থাকতে হবে কোয়ারেন্টাইনে ৷

• একজন সেবা প্রদানকারী  থাকতে হবে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টার জন্য, হোমআইসোলেশন পিরিয়ডে তিনি সব সময় পেশেন্টের অবস্থার বিবরণ হাসপাতালে পৌঁছে দেবেন

•যিনি কেয়ার গিভার থাকবেন তিনি প্রোটোকল অনুযায়ি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের নির্দেশ মতো মাত্রায় সেবন করবেন ৷

• আরোগ্য সেতু অ্যাপ সারাক্ষণের জন্য অ্যাক্টিভেট রাখতে হবে

•যিনি আক্রান্ত তিনি নিজের অবস্থার পর সবসময় নজর রাখবেন পাশাপাশি ডেলার নজরদারি আধিকারিককে নিজের বিষয়ে জানাবেন ৷ যাতে পরিদর্শক দল তার পরিস্থিতি সম্পর্কে সবটা ওয়াকিবহাল থাকে ৷

যারা বাড়িতে হোম আইসোলেশনে থাকবেন তাদের যদি শ্বাসকষ্ট , সর্বক্ষণ যন্ত্রণা, বুকের কাছে চাপ, মেন্টাল কনফাকশন, মুখ ঠোঁটের রঙে পরিবর্তন হয় তাহলে তৎক্ষণাত চিকিৎসা পরিষেবা চাইবেন ৷

যাঁরা সেবাপ্রদানকারী বা কাছের কন্ট্যাক্ট হবে তাঁদের কী করণীয় ? 

যাঁরা সেবাপ্রদানকারী হবেন তাদের সবর্ক্ষণ মাস্ক পরে থাকতে হবে তার সঙ্গে হাত সর্বক্ষণ স্বাস্থ্যকরভাবে পরিষ্কার রাখতে হবে ৷ গ্লাভস পরা ও খোলার সময়ে এই কাজ করতে হবে ৷ তাঁরা অ্যালকোহল থাকা হ্যান্ড স্যানেটাইজারও ব্যবহার করতে পারেন ৷ তবে যিনি অসুস্থ আছেন তাঁর বডি ফ্লুইড যেন সরাসরি না স্পর্শ করেন সেটা নজর রাখতে হবে ৷ বিশেষত নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সময় যা নির্গত হয় সেটা যেন কোনওভাবেই স্পর্শ না হয়ে যায় ৷ কেয়ারগিভাররা যেন ডিসপোজেবেল গ্লাভসের ব্যবহার করেন ৷

যাঁরা সেবা প্রদানকারী বা নিকট ব্যক্তি থাকবেন তাঁরাও যেন নিজেদের শারীরিক অবস্থা সর্বক্ষণ লক্ষ্য রাখেন ৷ যদি তাঁরা দেখেন তাঁদের মধ্যেও কোভিড ১৯ -র লক্ষণ দেখা যাচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসাপ্রদানকারীকে নিজের বিষয়ে জানান৷

পাশাপাশি যিনি থাকবেন তাঁরা যেন ত্রিস্তর বিশিষ্ট বিশেষ মাস্ক পরেন ৷ যেটাকে আট ঘণ্টা ব্যবহার করে  জীবাণুনাশ করার পর নষ্ট করে দিতে হবে ৷  যাঁরা সেবাপ্রদানকারী তাঁরা যেন যথেষ্ট পরিমাণ বিশ্রাম পান পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানীয় গ্রহণ করেন ৷ কোনওভাবেই তাঁরা যেন বয়স্ক মানুষদের কাছাকাছি না যান ৷

 
Published by: Debalina Datta
First published: April 28, 2020, 12:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर