কার্যত লকডাউনের মধ্যেও উত্তর দিনাজপুর জেলার রসাখোয়ায় হাট বসল, অধিকাংশের মুখে ছিল না মাস্ক!

রাজ্য সরকারের নির্দেশকে উপেক্ষা করেই হাট বসলেও তা বাধা দিতে প্রশাসনের কেউ আসেনি। পরে অবশ্যে পদক্ষেপ নেয় স্থানীয় প্রশাসন৷

রাজ্য সরকারের নির্দেশকে উপেক্ষা করেই হাট বসলেও তা বাধা দিতে প্রশাসনের কেউ আসেনি। পরে অবশ্যে পদক্ষেপ নেয় স্থানীয় প্রশাসন৷

  • Share this:

#করণদিঘি: লকডাউনের মধ্যে করণদিঘি ব্লকের রসাখোয়ায় হাট বসল। ক্রেতা বিক্রেতাদের অধিকাংশের ছিল না মাস্ক। রাজ্য সরকারের নির্দেশকে উপেক্ষা করেই হাট বসলেও তা বাধা দিতে প্রশাসনের কেউ আসেনি। তবে বেলা বাড়লে  ব্লক প্রশাসনের কর্তারা হাটে গিয়ে দোকান পাঠ তুলে দেন। প্রতি রবিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি ব্লকে রসাখোয়ায় বিশাল হাট বসে।এই সময় রসাখোয়া হাটে ভুট্টা এবং গম প্রচুর আমদানি হয়। সেই সমস্ত ফসল বিক্রি করতে হাজার হাজার কৃষকরা হাজির হন। গম এবং ভুট্টা কিনতে একাধিক ক্রেতা হাজির হন।

রাজ্য জুড়ে করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে রাজ্য সরকার কার্যত লকডাউন ঘোষণা করেছে। রাজ্যের সমস্ত হাটকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।সরকার  করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে যতই পদক্ষেপ গ্রহণ করুক না কেন মানুষ সচেতন না হলে এই সংক্রামণকে রোখা সম্ভব হবে। রবিবারের রসাখোয়া হাট দেখলেই তার কিছুটা অনুমান করা যায়।আজ থেকে রাজ্য সরকার সমস্ত হাট, বাজার, মল, রেস্তরা সহ একাধিক ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে এই  লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।  জমায়েত ঠেকাতেই এই  সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি ব্লকের রসাখোয়া হাট  বসেছে।

আরও পড়ুন COVID19 India: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কমার ইঙ্গিত, সপ্তাহব্যাপী রিপোর্ট দেখে কিছুটা হলেও জাগছে আশা

অন্যদিনের মত আজও বহু মানুষের সমাগম হয় সেখানে। ভুট্টা, গম এবং গরুর হাটে যথারীতি বিকি কিনি চলে। বিশাল হাট বসলেও প্রশাসনের কারও নজর পড়েনি। ক্রেতা ও বিক্রেতা, কারও মুখে ছিল না মাস্কও।এই বিশাল হাট বসায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। বেলা ১০ টার পর ব্লক প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে সেই হাটের বেচাকেনা বন্ধ করে দেয়। বেলা দশটার মধ্যে বেচাকেনা শেষ হলে ক্রেতা বিক্রেতারা অধিকাংশ বাড়ি ফিরে যান। ভুট্টা বিক্রি করতে আসা মহঃ সইদূল জানান, ভুট্টা বিক্রি করতে তিনি হাটে এসেছিলেন।মাস্কের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ভুট্টা বিক্রি করলেন। সেই টাকা দিয়ে মাস্ক কিনবেন!

Published by:Pooja Basu
First published: