• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পিএইচডি করে বিক্রি করছেন ফল! ঝরঝরে ইংরেজিতে লকডাউনের প্রতিবাদ ইনদওরের তরুণীর

পিএইচডি করে বিক্রি করছেন ফল! ঝরঝরে ইংরেজিতে লকডাউনের প্রতিবাদ ইনদওরের তরুণীর

রইসা আনসারি নামে সেই ফল বিক্রেতা৷ PHOTO- INSTAGRAM

রইসা আনসারি নামে সেই ফল বিক্রেতা৷ PHOTO- INSTAGRAM

পেশায় রাস্তার ধারের ফল বিক্রেতা৷ এ হেন এক তরুণী ঝরঝরে ইংরেজিতে বারংবার লকডাউনের প্রতিবাদ করছেন সংবাদমাধ্যমের সামনে৷

  • Share this:

    #ইনদওর: পেশায় রাস্তার ধারের ফল বিক্রেতা৷ এ হেন এক তরুণী ঝরঝরে ইংরেজিতে বারংবার লকডাউনের প্রতিবাদ করছেন সংবাদমাধ্যমের সামনে৷ এই দৃশ্য দেখে থমকে গিয়েছিলেন ইনদওর শহরের পথচলতি মানুষ৷ ধীরে ধীরে তরুণীকে ঘিরে ভিড় বাড়তে থাকল৷ শেষ পর্যন্ত ওই তরুণীই জানালেন, ফল বিক্রি করলেও তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে৷

    বুধবার থেকেই রইসা আনসারি নামে ওই তরুণীর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে৷ ইনদওর শহরের মালওয়া মিল এলাকায় ফল বিক্রি করেন ওই তরুণী৷ করোনা সংক্রমণ রুখতে ইনদৌরে বার বার লকডাউন জারি করা নিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করছিলেন তিনি৷ তাঁর অভিযোগ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লকডাউন জারি হওয়ায় ওই এলাকার ফল এবং সবজি বিক্রেতাদের উপার্জন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে৷

    রইসা জানিয়েছেন, তিনি পদার্থবিদ্যায় এমএসসি করেছেন৷ ইনদওরের দেবী আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে মেটেরিয়াল সায়েন্স নিয়ে তিনি গবেষণা শেষ করেছেন বলেও দাবি করেন ওই তরুণী৷

    ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, 'আজ শহরের একদিকে লকডাউন করা হচ্ছে তো কাল অন্যপ্রান্ত লকডাউন চলছে৷ এর ফলে বাজারে কার্যত কোনও ক্রেতাই নেই, বেচাকেনাও বন্ধ৷ আমরা নিজেদের পরিবারের খাবার জোগাব কী করে?' রইসার দাবি, ওই চত্বরে তাঁর মতো অনেকেই পারিবারিক সূত্রে ফলের বিক্রির পেশায় এসেছেন৷

    কিন্তু উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তাঁকে এভাবে ফল বিক্রির পেশাকে তিনি বেছে নিলেন? ক্ষুব্ধ রইসার দাবি, কোনও জায়গায় চাকরি না পেয়েই বাধ্য হয়েই ফল বিক্রি শুরু করতে হয়েছে তাঁকে৷ আগে তাঁর বাবা এই ব্যবসা দেখাশোনা করতেন৷ রইসা বলেন, 'কোথাও কোনও চাকরি জোটাতে পারিনি৷ তার উপর এখন তো সবাই বলছে যে মুসলিমরাই নাকি করোনা ছড়ানোর জন্য দায়ী৷ যেহেতু আমার নাম রইসা আনসারি, তাই কোনও কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাই আমাকে চাকরি দিতে রাজি নয়৷'

    দেবী আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে কর্মরত প্রাক্তন অধ্যাপক রাজকুমার চৌহানও রইসাকে চিনতে পেরেছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, রইসা খুবই পরিশ্রমী একজন ছাত্রী ছিলেন৷ মাঝেমধ্যেই তাঁর সঙ্গে রইসার দেখাও হতো৷ স্মৃতি হাতড়ে ওই অধ্যাপক বলেন, 'আমার মেয়ের বিয়ের আশীর্বাদ অনুষ্ঠানে ও এক ঝুড়ি ফল উপহার দিয়েছিল৷' যদিও কী কারণে রইসার মতো একজন ছাত্রী ফল বিক্রির পেশাকে বেছে নিল, তা ভেবেই অবাক হচ্ছেন ওই অধ্যাপক৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: