corona virus btn
corona virus btn
Loading

চাল, ডাল, তেল, নুন থেকে ফুলকপি, বাধাকপি- সবই মিলছে ত্রাণ প্যাকেটে ! দুঃস্থদের পাশে ক্লাবের সদস্যরা

চাল, ডাল, তেল, নুন থেকে ফুলকপি, বাধাকপি- সবই মিলছে ত্রাণ প্যাকেটে ! দুঃস্থদের পাশে ক্লাবের সদস্যরা

ইস্কন মন্দির থেকে ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আনন্দময়ী কালিবাড়ি সমিত ত্রাণ নিয়ে হাজির। ঘরে ঘরে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন শুকনো খাবার থেকে রান্না করা খাবারের প্যাকেট।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: মারণ নোভেল করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিততে হলে একমাত্র হাতিয়ার লকডাউন। অর্থাৎ কী না মানুষে মানুষে মেলামেশা বন্ধ করতে হবে। নিজের নিজের বাড়িতেই বন্দী রাখতে হবে দেশবাসীকে। তাহলেই সংক্রমণ রোখা যাবে। যে দেশ মানেনি, সেইসব দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাস। বিশ্বের বড় বড় দেশে অব্যাহত মৃত্যু মিছিল। দেশেও ছড়িয়েছে করোনার বিষ। যদিও এখনও স্টেজ টু'তেই রয়েছে ভারত, জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাই ঘরবন্দি থাকাটাই একমাত্র উপায়।

এই লকডাউন এখন দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে হকার থেকে ভ্যান চালকদের। যারা দিনভর পরিশ্রম করে যে টাকা উপার্জন করত তা দিয়েই বাজার করে রাতে ফিরত বাড়িতে। কিন্তু লকডাউনের জেরে বন্ধ ফুটপাতের ব্যবসা। ঘুরছে না টোটো, সিটি অটো, ভ্যান, রিক্সার চাকা। কাজ নেই দিন মজুরদেরও। বিভিন্ন সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। ইস্কন মন্দির থেকে ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আনন্দময়ী কালিবাড়ি সমিত ত্রাণ নিয়ে হাজির। ঘরে ঘরে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন শুকনো খাবার থেকে রান্না করা খাবারের প্যাকেট।

চরম সংকটে শিলিগুড়ির রাস্তায় নেমেছে মিলনপল্লির রবিন বিকাশ সংঘের সদস্য ও তাঁদের পরিবার। দিন রাত এক করে তৈরি করছে ত্রানের প্যাকেট। কি থাকছে এই প্যাকেটে? চাল, ডাল, তেল, মশলাপাতি, সোয়াবিন, লবন। সঙ্গে আবার আলু, পেঁয়াজ, ফুলকপি, বাধাকপি সহ অন্য সবজীও। একটি পরিবারের সাত দিনের অর্থাৎ এক সপ্তাহের বাজার। অন্য সংগঠনের ভাবনা থেকে একটু আলাদা। শিলিগুড়ি শহর তো বটেই মহকুমার প্রত্যন্ত এলাকায় পিকআপ ভ্যান নিয়ে হাজির ক্লাব সদস্যরা। লাগোয়া ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি এলাকা-সহ চা বাগানের শ্রমিক বস্তিতেও পৌঁছে যাচ্ছেন তারা। ক্লাবের অন্যতম সদস্য বাপি চক্রবর্তী জানান, প্রতিদিন ২৫০টি পরিবারের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এই ত্রান সামগ্রী। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা চালিয়ে যাবেন তারা। দুঃস্থ, অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতেই ক্লাব সদস্যরা এগিয়ে এসেছেন। তাদের এই উদ্যোগে অভিভূত শহরবাসী।

Partha Pratim Sarkar

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: April 8, 2020, 10:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर