• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • শিক্ষা নিন, পরিবারকে ভালোবাসে নির্মাণ শ্রমিকরা বাড়ি চলে গেলেন জঙ্গলে, সেখানেই থাকবেন কোয়ারেন্টাইনে

শিক্ষা নিন, পরিবারকে ভালোবাসে নির্মাণ শ্রমিকরা বাড়ি চলে গেলেন জঙ্গলে, সেখানেই থাকবেন কোয়ারেন্টাইনে

দেশজুড়ে লকডাউন। মহামারী করোনার থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্বই একমাত্র ওষুধ।

দেশজুড়ে লকডাউন। মহামারী করোনার থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্বই একমাত্র ওষুধ।

দেশজুড়ে লকডাউন। মহামারী করোনার থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্বই একমাত্র ওষুধ।

  • Share this:

    #মালদহ: করোনা যুদ্ধে সামাজিক দুরত্বই একমাত্র হাতিয়ার। তাই গ্রামে ফিরে আর বাড়িমুখো নয়। মালদহের গাজোলে জঙ্গল কোয়ারান্টিন কাটাচ্ছেন চার নির্মাণ শ্রমিক।

    দেশজুড়ে লকডাউন। মহামারী করোনার থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্বই একমাত্র ওষুধ। কোয়ারান্টিনে থাকতে পুরুলিয়ায়, গাছে মাচা তৈরি, মালদহে নৌকায় দিন কাটানোর ছবি আগেই ধরা পড়েছে। রাজা দশরধের নির্দেশ পালন করতে চোদ্দো বছর বনবাস কাটিয়েছিলেন রামচন্দ্র। এবার করোনার সংক্রমণ থেকে গ্রাম-পরিবারকে বাঁচাতে চোদ্দো দিনের জঙ্গলবাসে চার শ্রমিক।

    নদীয়ার কল্যাণীতে এইমসের নির্মাণকাজে যুক্ত ছিলেন মালদহের গাজোলের বাসিন্দা জ্যোর্তিময় সমাদ্দার, কৃষ্ণ সমাদ্দার, অমল বিশ্বাস ও অসিম বিশ্বাসরা। লকডাউনের পর জেলায় ফিরে সোজা চলে যান মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। করোনার উপসর্গ না থাকলেও, চিকিৎসক ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টিনে থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু, গ্রামে পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই, গাজোলে পোলাডাঙ্গা গ্রামে মরা টাঙ্গন নদীর ধারে জঙ্গলে তাবু খাটিয়ে বসবাস শুরু।

    জঙ্গলে কী করে কাটছে সময়? প্রথমে সাপ-শেয়ালের ভয় ছিল। তাই গ্রাম থেকে তার টেনে তাঁবুতে বিদ্যুতের ব্যবস্থা হয়েছে। কয়েক দিনেই দিব্বি মানিয়ে গেছে জঙ্গলজীবন।

    চার শ্রমিকের পাশে রয়েছে গ্রামও। নিয়ম করে খাবার যোগান দিচ্ছে পরিবার। চোদ্দো দিন কাটলেই আর সংক্রমণের ভয় নেই। নিশ্চিন্ত হয়ে তারপরই গ্রামে ফিরবেন অমল-জ্যোতির্ময়রা।

    Published by:Debalina Datta
    First published: