corona virus btn
corona virus btn
Loading

নৃশংস! যোগীরাজ্যে জোর করে জীবাণুনাশক খাইয়ে দিল দুষ্কৃতীরা, মৃত সাফাই কর্মী

নৃশংস! যোগীরাজ্যে জোর করে জীবাণুনাশক খাইয়ে দিল দুষ্কৃতীরা, মৃত সাফাই কর্মী
সংগৃহীত ছবি

ঘটনার পর থেকে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও, এখন অধরা দুষ্কৃতীরা।

  • Share this:

#রামপুরঃ যোগীরাজ্যে সাফাইকর্মীকে জোর করে জীবাণুনাশক খাওয়ানোর অভিযোগ। নৃশংস  ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলায়। মৃত্যু হয়েছে ওই সাফাইকর্মীর। যদিও, ঘটনার পর থেকে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও, এখনও অধরা দুষ্কৃতীরা।

জানা গিয়েছে, ওই সাফাইকর্মী এলাকায় জীবাণুনাশক ছড়ানোর জন্য নিযুক্ত হয়েছিলেন। সেইসময় সেই এলাকাতেই বসেছিলেন স্থানীয় বেশ কয়েকজন  যুবক। স্থানীয়রা জানিয়েছেন,  কাজ করার সময় কোনওভাবে তাঁর হাত থেকে জীবানুনাশক ওই দলের একজনের গায়ে ছিটে যায়। তখনই রাগের বসে এই ডলের সদস্যরা তাঁকে জোর করে জীবাণুনাশক খাইয়ে দেন। মৃতের ভাই জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় সেজন্য সাফাইকর্মী হিসেবে এলাকায় জীবাবুনাশক ছড়াতে গিয়েছিলেন।  সেখানে পাঁচজনের ওই দল ছিল। তারপরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুর জেলার মোতিপুরা গ্রামের বাসিন্দা মৃত ওই সাফাই কর্মীর নাম কুনওয়ার পাল। গত ১৪ এপ্রিল এলাকা পরিষ্কারে যান তিনি। করোনা মোকাবিলায় গোটা এলাকায় ছড়িয়ে দিচ্ছিলেন জীবাণুনাশক। সেই সময়েই অসাবধানে স্থানীয় এক বাসিন্দা ইন্দ্রপালের গায়ে পড়ে যায় খানিকটা রাসায়নিক।এরপরেই শুরু হয় কথা  কাটাকাটি। যা ক্রমেই বচসা এবং হাতাহাতির রূপ নেয়।  অভিযোগ, ইন্দ্রপাল এবং তার অনুগামীরা ওই সাফাইকর্মীর মুখে জোর করে স্যানিটাইজিং মেশিনের পাইপটা ঢুকিয়ে দেন। কুনওয়ারকে জীবাণুনাশক খাওয়ানো হয়।

এরপরই ওই সাফাইকর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ১৭ এপ্রিল তাঁকে মোরাদাবাদের টিএমইউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় কুনওয়ারের। এদিকে, স্থানীয় পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৭, ৩২৩ এবং ৩০৪ ধারায় এইন্দ্রপাল এবং তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের পুলিশ।

First published: April 19, 2020, 6:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर