করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পর্যাপ্ত পিপিই-এন ৯৫ মাস্কের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজ বন্ধ, দ্রুত ব্যবস্থার আশ্বাস কর্তৃপক্ষের

পর্যাপ্ত পিপিই-এন ৯৫ মাস্কের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজ বন্ধ, দ্রুত ব্যবস্থার আশ্বাস কর্তৃপক্ষের
ফাইল ছবি

সোমবার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ২০০ জন ইন্টার্ন (২০২০-২১ ব্যাচ) কাজ বন্ধ করে দেয়।

  • Share this:

#কলকাতাঃ করোনা যুদ্ধে যুঝতে প্রয়োজন সঠিক মানের পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই, এন ৯৫ মাস্ক। কিন্তু করোনা সংক্রমণ রাজ্যে শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক থেকে নার্সদের অভিযোগ, সে  সব কিছুই যথাযথ মিলছে না। ফলে এই দাবিতে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা সোচ্চার হয়েছেন। যদিও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় পিপিই, মাস্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে। কিন্তু তারপরও বেশ কিছু জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত অভিযোগ আসতে থাকে।

সোমবার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ২০০ জন ইন্টার্ন (২০২০-২১ ব্যাচ) কাজ বন্ধ করে দেয়। তাঁদের দাবি, দিনের পর দিন ন্যূনতম কোনও ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই তাঁদেরকে করোনা সন্দেহে ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সাধারণ সার্জিকাল মাস্কই তাঁদের একমাত্র ভরসা। আর তার জেরেই বহু চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই আরজি কর হাসপাতালে সাতজন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছে। তারপরেই অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। মূলত আইসোলেশন ওয়ার্ডে কাজ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে ইন্টার্নদের।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পর্যাপ্ত সুরক্ষার দাবিতে সোমবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করে জুনিয়র ডাক্তাররা। তবে কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। এরপরেই কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে এন ৯৫ মাস্ক দিতে হবে তাঁদের। তারপরেই কাজে যোগ দেবেন তাঁরা। যদিও রোগী পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটায় তাঁরা ক্ষমা চেয়েছেন রোগী এবং তাঁদের পরিবারের কাছে।

এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জেরে দ্রুত সল্টলেক স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করে। সূত্রের খবর, আজ রাতের মধ্যেই বেশ কিছু এন ৯৫ মাস্ক আরজি কর হাসপাতালে পাঠান হবে। শয়েগুলি জুনিয়র চিকিৎসকদের দেওয়া হবে। অন্যদিকে, হাসপাতালের পরিষেবা প্রসঙ্গে কর্তৃপক্ষ দাবি, হাসপাতালের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি বা পিজিটি, সিনিয়র চিকিৎসক কাজ করছেন দিনভর। ফলে রোগীদের পরিষেবা কোনওরকম সমস্যা হচ্ছে না।

ABHIJIT CHANDA

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 11, 2020, 9:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर