Pele covid vaccine: অবিস্মরণীয় দিন জানালেন ফুটবল সম্রাট

Pele covid vaccine: অবিস্মরণীয় দিন জানালেন ফুটবল সম্রাট

ভ্যাকসিন নিয়ে সকলকে সাবধান থাকার বার্তা পেলের

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর দেশবাসীর উদ্দেশ্যে পেলে জানিয়েছেন সকলেরই উচিত ভ্যাকসিন নেওয়া।

  • Share this:

    #রিও ডি জেনিরো: 'চলাই জীবন, থেমে যাওয়াই মরণ, ভেবে নাও তুমি কাকে করবে বরণ'-বিখ্যাত বাংলা গানের এই লাইনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায় তাঁর জীবন। তিন বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ফিফার ইতিহাসে অন্যতম সেরা ফুটবলার। কারও মতে সর্বশেষ্ঠ। দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন। স্বর্গে দেখা হবে প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে জানিয়েছিলেন বেদনা ভরা মনে। কিন্তু জীবন যখন আছে, তখন সামনে এগিয়ে চলাই নিয়ম। এডসন আরন্তেস ডি নাসিমেন্টো। ওরফে পেলে। বর্ণময় জীবনে বহু জিনিসের সাক্ষী থেকেছেন।

    যাঁকে দেখার জন্য কৌতুহল ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতেন রানী এলিজাবেথ, যাঁর খেলা দেখার জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করত আফ্রিকান দেশগুলো, সেই পেলে নিজের মুখে বলছেন আজ নাকি তাঁর জীবনের অন্যতম স্মরণীয় দিন। কেন, হঠাৎ কী এমন ঘটে গেল তাঁর জীবনে? করোনা ভাইরাসের টিকা নিলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ব্রাজিলে ভাইরাসের কারণে প্রায় তিন লাখ মানুষ জীবন হারিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশটির ইতিহাসে এর আগে এত মানুষ একসঙ্গে মারা যাওয়ার নজির নেই।

    এমনিতেই আশির ওপর বয়স হয়েছে কিংবদন্তি ফুটবলারের। তার ওপর দীর্ঘদিন অসুস্থ। কোমড়ে সমস্যা থাকায় তাঁকে হাঁটার জন্য ফ্রেম ব্যবহার করতে হয়। হুইল চেয়ারে গত এক বছর ঘোরাফেরা করছেন। ছেলে এডিনহো জানিয়েছিলেন শারীরিক সমস্যার কারণে জনসমক্ষে বের হতে কিছুটা বিব্রত বোধ করেন তাঁর বাবা। কিন্তু জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি কিংবদন্তির।

    তবে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর দেশবাসীর উদ্দেশ্যে পেলে জানিয়েছেন সকলেরই উচিত ভ্যাকসিন নেওয়া। পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হাত ধোয়ার অভ্যাস চালিয়ে যেতে অনুরোধ করেছেন তিনি। কঠিন সময়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে বটে, কিন্তু পৃথিবীর বুক থেকে এখনও পুরোপুরি করোনা ভাইরাস বিদায় নেয়নি। সকলের সাহায্যে সকলেই নতুন করোনা মুক্ত পৃথিবী দেখবেন আশাবাদী পেলে। পাশাপাশি দেশের সরকার, ডাক্তার, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    লেটেস্ট খবর