corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা কালে ধাক্কা উড়ানে, পরিষেবা কমছে কলকাতায়, বাড়ছে ক্ষতির পরিমাণ

করোনা কালে ধাক্কা উড়ানে, পরিষেবা কমছে কলকাতায়, বাড়ছে ক্ষতির পরিমাণ
File Photo

প্রতিদিন কলকাতা থেকে উড়ানের সংখ্যা ৬১। তুলনায় অনেক এগিয়ে দিল্লি ও মু্ম্বই। দিল্লির সংখ্যা ১৪০। আর মুম্বই থেকে ১৫০। উড়ান বাতিলের নিরিখে বাকি দুটি জায়গার থেকে কলকাতার সংখ্যা বেশি।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা কালে ধাক্কা এবার উড়ান পরিষেবায়। পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে কলকাতায় তার প্রভাব দিনে দিনে বাড়ছে। ফলে বাড়ছে ক্ষতির পরিমাণ। এই পরিস্থিতিতে ১২৩ কোটি টাকা লোকশান করে এবার ভারত থেকে ব্যবসা গোটানোর ইঙ্গিত মালয়েশিয়ার উড়ান সংস্থা এয়ার এশিয়ার।

দীর্ঘ লকডাউন কাটিয়ে গত ২৮ মে থেকে কলকাতায় চালু হয়েছে অন্তর্দেশীয় উড়ান। প্রথমে দশটি উড়ান দিয়ে চালু হয় পরিষেবা। ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়ানো হয়। প্রতিদিন কলকাতা থেকে উড়ানের সংখ্যা ৬১। তুলনায় অনেক এগিয়ে দিল্লি ও মু্ম্বই। দিল্লির সংখ্যা ১৪০। আর মুম্বই থেকে ১৫০। উড়ান বাতিলের নিরিখে বাকি দুটি জায়গার থেকে কলকাতার সংখ্যা বেশি।

করোনার জেরে দীর্ঘ লকডাউন। তারপর আনলক ওয়ানে কলকাতা থেকে উড়ান চালাতে গিয়ে এখন ক্ষতির মুখে বেশ কয়েকটি বিমান সংস্থাঅন্তর্দেশীয় পরিষেবায় কলকাতা থেকে সবচেয়ে বেশি বিমান চালায় স্পাইস জেট ও ইন্ডিগো। এই দুটি সংস্থা এখন বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বাড়ি ফেরার জন্য উড়ানের সাহায্য নিচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের একাংশ। কলকাতায় তাঁরা ফিরছেন। কিন্তু কলকাতা থেকে কেউ যাচ্ছেন না। কর্পোরেট যাতায়াত বন্ধ থাকায় বাড়ছে ক্ষতির পরিমান।

এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বাড়াছে মালয়েশিয়ার বিমান সংস্থা এয়ার এশিয়ার ব্যবসা গোটানোর ইঙ্গিত। টাটার হাত ধরে সাত বছর আগে সস্তার উড়ান পরিষেবা দিতে প্রথম ভারতে এসেছিল এয়ার এশিয়া। কিন্তু করোনা কালে তাদের ইঙ্গিত.... দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাকি জায়গায় পরিষেবা চালু রাখলেও, জাপান ও ভারতে ব্যবসা বন্ধের কথা ভাবছে সংস্থা। ইতিমধ্যেই তাদের ক্ষতির পরিমাণ ১২৩ কোটি টাকা।

এয়ার এশিয়া ব্যবস্থা বন্ধ করলে ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন সরাসরি বিমান পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা। ফলে আনলক হলেও, পরিস্থিতি এখনও গুরুতর। এই অবস্থায় কলকাতা ও পূর্বাঞ্চলে এখনও বন্ধ আরও একটি বিমান সংস্থার পরিষেবা। কবে চালু হবে, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: June 29, 2020, 7:59 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर