করোনার অ্যান্টিবডি নিয়েই শিশুর জন্ম নজির গড়ল! গর্ভবতী মহিলাদের টিকাকরণ নিয়ে গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা

করোনার অ্যান্টিবডি নিয়েই শিশুর জন্ম নজির গড়ল! গর্ভবতী মহিলাদের টিকাকরণ নিয়ে গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা

প্রতীকী ছবি।

বিষয়টি নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ওই মহিলাকে Moderna mRNA ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। প্রসূতি অবস্থার ৩৬তম সপ্তাহে তাঁকে এই টিকা দেওয়া হয়েছিল।

  • Share this:

    #নিউইয়র্ক: শরীরে কোভিড ১৯-এর অ্যান্টিবডি নিয়েই জন্ম নিল শিশু। জানালেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। প্রসূতি অবস্থায় শিশুর মাকে কোভিড১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল। সেই জন্যই সেই মহিলার সন্তানের শরীরে জন্মের সময় থেকেই রয়েছে কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই করার অ্যান্টিবডি। মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের এক হাসপাতালে শিশুটির জন্ম হয়েছে।

    বিষয়টি নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ওই মহিলাকে Moderna mRNA ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। প্রসূতি অবস্থার ৩৬তম সপ্তাহে তাঁকে এই টিকা দেওয়া হয়েছিল। তার তিন সপ্তাহ পরেই এক সুস্বাস্থ্যসম্পন্ন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মহিলা।

    জন্মের পরেই ওই শিশুর রক্তের নমুনা নেওয়া হয় পরীক্ষার জন্য। সেই পরীক্ষার ফলাফল থেকেই দেখা যায়, সদ্যজাতের শরীরে রয়েছে কোভিড ১৯ এর অ্যান্টিবডি। আমেরিকার ফ্লোরিডা আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পল গিলবার্ট ও চ্যাড রুডনিক এই বিষয়ে বলছেন, এই প্রথম কোনও শিশু দেহে অ্যান্টিবডি নিয়ে জন্মেছে কারণ তার মাকে গর্ভবতী অবস্থায় ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল।

    সদ্যজাতের মাকে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত শিশুটিকে স্তন্যপানও করানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে এই বিষয়টি নিয়ে আরও বিশদে গবেষণা করা দরকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাহলেই বোঝা যাবে গর্ভবতী অবস্থায় ভ্যাকসিন নিলে শিশুর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে কিনা।

    প্রসঙ্গত, ভারতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে! গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা৩৫,৮৭১টি করোনা কেসের হদিশ মিলল৷ গত বছর ডিসেম্বরের শুরুর পর এটাই সর্বোচ্চ সংক্রমণের নজির৷ গতকালই কেন্দ্র জানিয়েছিল যে, দেশের ১৬টি রাজ্যের মোট ৭০টি জেলায় গত ১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে ১৫০ শতাংশ অ্যাক্টিভ কেস বেড়েছে৷ ঘটনায় রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: