এভাবে ফাঁকা থাকছে রেস্তোরাঁগুলি! ব্যবসায় চূড়ান্ত ক্ষতির আশঙ্কা, তাই...

এভাবে ফাঁকা থাকছে রেস্তোরাঁগুলি! ব্যবসায় চূড়ান্ত ক্ষতির আশঙ্কা, তাই...

করোনার জের, ব্যাপক ক্ষতি হোটেল-রেস্তোরায় 

  • Share this:

#কলকাতা: মুখ ফিরিয়েছে উত্তর। শুকনো মুখে দিন কাটাচ্ছে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া। সমুদ্রের হাওয়া পালে লাগছে না। করোনার জেরে গোটা পর্যটন শিল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। পর্যটন শিল্পের সাথে সরাসরি যুক্ত আছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। করোনার জেরে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।  এই পরিস্থিতিতে ক্ষতির হার থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পেতে সরকারের কাছে ছাড় চাইল হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া।

রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি দিয়ে তারা সম্পত্তিকর, বিদ্যুতের বিলে ৫০ শতাংশ মকুবের  আবেদন করেছেন। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে তারা আবেদন করেছেন, যেন এক্সাইজ লাইসেন্স ফি ৫০ শতাংশ মকুব করে দেওয়া হয়। আগামী ছ'মাসের জন্য জিএসটি না নেওয়ার দাবিও তারা করেছেন। সংস্থার আধিকারিকদের কথায়, এই ক'দিনে তাদের ব্যবসার যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আগামী এক মাস এই অবস্থা চলতে থাকলে অর্থনৈতিক ভাবে তাদের পরিস্থিতি যে আরও কঠিন হবে তাই তারা রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন।

শুক্রবারের হিসেব বলছে, পূর্ব ভারতে প্রায় ১৩০০ হোটেল ও রেস্টুরেন্ট আছে এই সংগঠনের। সিকিম সহ পূর্ব ভারতের একাধিক জায়গায় ট্যুরিস্ট প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এক ধাক্কায় কমতে শুরু করেছে চালু হোটেলের সংখ্যা। সংগঠনের সম্পাদক সুরেশ পোদ্দার জানাচ্ছেন, "প্রায় ৯৫% বুকিং আমাদের বাতিল হয়ে গিয়েছে। অগ্রিম বুকিং যারা করেছিল তারাও সব বাতিল করে দিচ্ছে। ৫০ শতাংশ রেট কমিয়েও কোনও লাভ হচ্ছেনা।" একই অবস্থা রেস্টুরেন্ট গুলিতেও। নামী হোটেলের রেস্তোরাঁ ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। মাঝারি মানের রেস্তোরাঁর একই ছবি।

সুদেশবাবু জানাচ্ছেন, "যে সব রেস্তোরাঁ দিনে ২ লাখ আয় করত, তারা এখন ২০ হাজার আয় করছে।" তাদের আশংকা সংখ্যাটা ধীরে ধীরে আরও কমবে। ফলে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এদিকে জিনিষপত্রের দাম ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্যদ্রব্য মজুত করা যাবে কিনা তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। যে ভাবে ব্যবসায়িক ক্ষতি হতে শুরু করেছে তাতে যারা এই পেশার সাথে যুক্ত আছেন তাদের ছাঁটাই হতে পারে এই আশংকা তৈরি হয়েছে। যদিও সুদেশ বাবুর বক্তব্য, কোনও স্টাফ ছাঁটাই হবে না। তবে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে যেভাবে ক্ষতির বহর বাড়ছে তাতে ব্যাপক চিন্তায় হোটেল ব্যবসায়ীরা।

First published: March 20, 2020, 2:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर