corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে কাঁধে বড় দায়িত্ব, তিনদিনের সদ্যজাতের বাবা মেয়ের মুখও দেখতে পেলেন না

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে কাঁধে বড় দায়িত্ব, তিনদিনের সদ্যজাতের বাবা মেয়ের মুখও দেখতে পেলেন না

সংক্রামিত হয়ে যাওয়ার থেকেও সংক্রামিত করে দেওয়ার বেশি ভয় তাঁকে তাড়া করে ৷

  • Share this:

#নয়ডা: জোর কদমে চলছিল কাজ ৷ দম ফেলার ফুরসত নেই ৷ হঠাৎ খবর হল বাড়িতে ছোট্ট পরির আগমন হয়েছে ৷ পূর্ণগর্ভা স্ত্রী একটু আগেই জন্ম দিয়েছেন ফুটফুটে এক কন্যা সন্তানের ৷ না আর পাঁচটা বাবার মতো ছুটে মেয়েকে দেখতে যাওয়া হল না রাজীব রায়ের ৷ বিন্দুমাত্র ফাঁকি দেওয়ার ফুরসত নেই তাঁর ৷ করোনা সন্দেহভাজনদের পরীক্ষার গুরুদায়িত্ব যে তাঁর কাঁধে ৷ নয়ডার ফিল্ড অফিসার রাজীব রায়, সদ্যজাত সন্তানের মুখ দেখা তো দূর ৷ কতকাল কেটে গিয়েছে করোনা সংক্রমণের ভয়ে নিজের গর্ভবতী স্ত্রী ও আট বছরের মেয়ের কাছে যাননি ৷ এখন বাড়িতে নতুন অতিথি তাঁর কাছে যাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না ৷ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কাজের সময়টুকু বাদ দিলে শুধু খেতে আর শুতে বাড়িতে যান ৷ করোনা সংক্রমণ নয়ডায় থাবা বসানোর পর থেকেই বদলে গিয়েছে রাজীবের রুটিন ৷ রোজ করোনা রোগী ও করোনা সংক্রমণের সন্দেহভাজনদের নিয়ে তাঁর কাজ ৷ সংক্রামিত হয়ে যাওয়ার থেকেও সংক্রামিত করে দেওয়ার বেশি ভয় তাঁকে তাড়া করে ৷ সংস্পর্শ এড়াতেই নিজের বাড়ির একদম এক কোণে একটা আলাদা জায়গায়, বাড়িতে থাকার সময়টুকু নিজেকে বন্দি রাখেন ৷ ভুলেও স্ত্রী ও মেয়ের আশপাশে যেতেন না রাজীব ৷ এবার সেই তালিকায় জুড়ল আরও একজন ৷ কবে যে জীবনে আসা ছোট্ট পরিকে কোলে তুলে আদর করতে পারবেন তা জানেনই না রাজীব ৷ মেয়ের জন্মের দিন ডিউটি শেষে গিয়েছিলেন হাসপাতালে ৷ বহু দূরে কাঁচের দরজার এপার থেকে নিজের মেয়ের একঝলক  ভাল করে দেখতে না দেখতেই সংক্রমণের ভয়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল ৷ রাজীব বলেন, শত কষ্ট হলেও নিজের পরিবারের জন্য এই দূরত্ব তাঁকে বজায় রাখতেই হবে ৷

Published by: Elina Datta
First published: April 8, 2020, 11:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर