corona virus btn
corona virus btn
Loading

এ এক উলাটপুরাণ, অভাবের দিনে পাশে এসে দাঁড়াল 'কাজের বাড়ি'-র দাদা বৌদিরাই

এ এক উলাটপুরাণ, অভাবের দিনে পাশে এসে দাঁড়াল 'কাজের বাড়ি'-র দাদা বৌদিরাই
চলছে খাবার সামগ্রী বিলিবন্টন।

তাঁরা যেতে না পারলেও, এবার তাঁদের কাছেই পৌঁছে গেলেন আবাসনের দাদা-বৌদিরা। সমস্ত গৃহকর্মীর সঙ্গে দেখা করল পঞ্চবটী।

  • Share this:

শহরের বুকে কান পাতলেই শোনা যায়, মানবিকতা শেষ হয়ে গেছে। এখন নাকি বিপদের দিনে কেউ পাশে দাঁড়াতে চায় না, কুশলসংবাদও নেয় না কেউ। প্রশ্নটা একবার নয় একাধিক বার তুলেছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যাক্তিরা । সমাজের ছবিটাই যেন বরাবর ওরা বনাম আমরার লড়াই। দুর্গাপুজায় যখন সবাই নতুন নতুন স্টাইলের জামা পড়ে উচু বাড়ির নিচে আড্ডা দেয় তখন ওদের চোখে ভেসে আসে রঙিন স্বপ্ন। ওদের কাছে তখনও কাজ করার সময়, ওরা তখন হয়তো যাচ্ছে শ্যামবাবু বা নয়ন বাবুর বাড়িতে কাজ করতে। উঁচু বাড়িতে থাকার স্বপ্ন না দেখলেও একদিনের বিলাসিতা যেন ওদের কাছে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ।

অথচ এই ছবিটাই এবার পুরোপুরি বদলে গেল। লকডাউন যেন সব মানুষকে এক সুতোয় বেঁধেছে। বাড়ির বাইরে না বেরনোর নির্দেশ মানতে গিয়ে সবাই গৃহবন্দি। করোনা সংক্রমণের ভয়ে অনেকেই আজ আবাসনে কাজে যাওয়া স্থগিত রেখেছেন। তাঁরা কাজ হয়তো হারায়নি, তবে দেখা হয় না কারও সঙ্গেই। তাঁরা যেতে না পারলেও, এবার তাঁদের কাছেই পৌঁছে গেলেন আবাসনের দাদা-বৌদিরা। সমস্ত গৃহকর্মীর সঙ্গে দেখা করল পঞ্চবটী। বাইপাসের ধারে অভিষিক্তার মোড়ে পাঁচটি আবাসনের আবাসিকদের নিয়ে তৈরি হয় পঞ্চবটী। তাঁরা মন্দিরতলা, কালীতলা ও খালপাড়ের বাসিন্দাদের অসুবিধার কথা শুনে প্রায় পাঁচশো জনকে সাহায্যে কথা ভেবেছেন। অভাবের দিনে বেশকিছু জনের হাতে পৌঁছে গেছে চাল,ডাল, আলু, তেল সহ বিভিন্ন সামগ্রী। প্রথমে হঠাৎ করে তাঁদের দেখে এলাকার বাসিন্দা অবাক হলেও পরে বুঝে যান, সাহায্য হাত বাড়াতে এসেছে তাদের পরিচিত আবাসনের বাসিন্দারা। ঐ আবাসনের এক বাসিন্দা রুপায়ন চৌধুরী বলেন, ওঁরাই তো আমাদের সারাক্ষণের সাথী, ওঁদের খারাপ সময়ে পাশে দাঁড়িয়ে একটু সাহায্যের চেষ্টা মাত্র। শহরের বুকে যে কথা শোনা যায়, লকডাউনের দিনে এই ছবি দেখে হয়তো সেই কথা মনেই হতে পারে মিথ্যা কথা ওসব। কেনই বা হবে না? দুঃখের দিনে হাতে হাত দিয়ে চললেই তো জয় করা যাবে করোনাকে।

First published: May 3, 2020, 12:51 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर