যখন তখন চায়ের দোকানে আড্ডা চলবে না, বর্ধমান শহরে করোনা বাড়ায় সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

প্রতীকী চিত্র।

এছাড়া ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে বর্ধমান শহরের বি সি রোড ও জি টি রোডের দু পাশের দোকান আগামিকাল থেকে একসঙ্গে খোলা রাখা যাবে না।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে বর্ধমান শহরে দোকান বাজার খোলার ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করল প্রশাসন। পাইকারি বাজার থেকে শুরু করে খুচরা বাজার, চায়ের দোকান থেকে খাবার হোটেল দিনে কতক্ষণ এবং কোন সময় থেকে কোন সময় পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে তা নির্দিষ্ট করে দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সেই সঙ্গে ব্যস্ততম বাজার এলাকাগুলিতে ভিড় কমানো নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাস্তার একদিকের দোকান খোলা থাকলে সেদিন অন্যদিকে দোকান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বুধবার থেকে এই নিয়ম কার্যকর করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,  আগামিকাল বুধবার  থেকে পাইকারি মাছ ও সবজি বাজার ভোর চারটে থেকে সকাল সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মাছ, মাংস,সবজির খুচরো বাজার খোলা থাকবে সকাল সাতটা থেকে বেলা সাড়ে দশটা পর্যন্ত। ফল বাজার ও ফলের দোকান সকাল সাতটা থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তারপর আর সারাদিন দোকান খোলা যাবে না। চায়ের দোকান খোলা থাকবে বেলা দশটা পর্যন্ত। ভোর চারটে থেকে চায়ের দোকান খোলা যাবে। তবে বেলা দশটার পর সেই দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে দিতে হবে সারা দিনের জন্য। মিষ্টির দোকান খোলা থাকবে বেলা দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।

বেলা এগারোটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে মুদিখানা দোকান। তার আগে বা পরে সেই দোকান খোলা যাবে না। এছাড়াও শহরের অন্যান্য দোকান শুধুমাত্র বেলা এগারোটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। হোটেল রেস্তোরাঁ খোলা থাকবে বেলা বারোটা থেকে রাত নটা পর্যন্ত। নতুনগঞ্জ পাইকারি বাজার বেলা এগারোটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে সন্ধ্যা  ছটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত সেই বাজারের পণ্য সামগ্রী নামানো যাবে।

এছাড়া ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে বর্ধমান শহরের বি সি রোড ও জি টি রোডের দু পাশের দোকান আগামিকাল থেকে একসঙ্গে খোলা রাখা যাবে না।একদিক সোম বুধ শুক্রবার খোলা হলে অন্যদিক মঙ্গল বৃহস্পতি শনিবার খোলা থাকবে। রবিবার সব দোকান বন্ধ থাকবে। এই বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে আগামিকাল সকাল থেকেই পুলিশ তৎপর থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published by:Arka Deb
First published: