তালিকায় নাম নেই, ভ্যাকসিন নিতে এসে থ বর্ধমান মেডিকেলের বেশ কয়েকজন নার্স

তালিকায় নাম নেই, ভ্যাকসিন নিতে এসে থ বর্ধমান মেডিকেলের বেশ কয়েকজন নার্স
ভ্যাকসিন নিতে এসে ব্যর্থ মনোরথ অনিতা মজুমদার।

আজ তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে এসএমএস পর্যন্ত পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু টিকাকরণ কেন্দ্রে পৌঁছে দেখেন তালিকায় তাঁদের নাম নেই।

  • Share this:

#বর্ধমান: ভ্যাকসিন পেয়ে গেলেন জন প্রতিনিধিরা, অথচ সেই তালিকায় নাম নেই নার্সদের অনেকেরই! ভ্যাকসিন নিতে এসে বর্ধমান মেডিকেল থেকে হতাশ হয়ে ফিরলেন তাঁরা। এমনই চিত্র ধরা পড়লো বর্ধমান মেডিকেল কলেজে। প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা হিসেবে সর্বপ্রথম স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ডাক্তার নার্সদের করোনার প্রতিষেধক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী আগেই নাম ঠিকানা সহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল ডাক্তার নার্সদের কাছ থেকে। আজ তাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে এসএমএস পর্যন্ত পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ভ্যাকসিন দেওয়ার কেন্দ্রে পৌঁছে দেখেন তালিকায় তাঁদের নাম নেই।

তাঁদেরই একজন অনিতা মজুমদার। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং স্টাফ। দিনের পর দিন মাসের পর মাস করোনা আক্রান্তদের মাথার গোড়ায় দাঁড়িয়ে সেবা করেছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা শুনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন। প্রথমেই করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত হয়েছিল তাঁর। গতকাল নিয়মমাফিক তিনি এসএমএস পেয়েছিলেন। ফোন করে বলা হয়েছিল আধার কার্ড সঙ্গে আনতে। আজ সকালেও যথাসময়ে হাজির থাকার জন্য ফোন করা হয়েছিল।

মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে সকাল সকাল এসেছিলেন বর্ধমান মেডিকেলের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ঘরে। কিন্তু এসে দেখেন তালিকায় নাম নেই তাঁর। শুধু তিনি নন, বাদ পড়েছেন তাঁর মত বেশ কয়েকজন প্রথম সারির যোদ্ধা। জানিয়ে দেওয়া হয়,পরবর্তী দিনে ভ্যাকসিন পাবেন তারা। হতাশ হয়ে ফিরে যান অনিতা মজুমদাররা। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, জেলার মোট সাতটি কেন্দ্রে এদিন ভ্যাকসিন দেওয়ার সূচনা হয়েছে প্রতিটি কেন্দ্রে একশো জন করে পুরুষ মহিলাকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। কিন্তু জেলায় স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত যুক্ত সংখ্যা অনেক বেশি স্বাভাবিক কারণেই সবাইকেই প্রথম দিনে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়নি। ধাপে ধাপে সবাইকেই এর আওতায় আনা হবে।কিন্তু এসএমএস পেয়েও বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নার্সদের ফিরতে হল কেন তার সদুত্তর দিতে পারেননি।


Published by:Arka Deb
First published: