করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

মৃত্যু ১জনের, নতুন করে আক্রান্ত ২৮জন! ভয়ে কাঁটা বর্ধমানের বাসিন্দারা

মৃত্যু ১জনের, নতুন করে আক্রান্ত ২৮জন! ভয়ে কাঁটা বর্ধমানের বাসিন্দারা

বর্ধমানের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আনলক পর্বের হাত ধরে ধীরে ধীরে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসছিল। দোকান বাজারে ভালো কেনাবেচা চলছিল। কিন্তু করোনার সংক্রমণ সেই স্বাভাবিক হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালো।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনার সংক্রমণ দেখে ভয়ে কাঁটা হয়ে রয়েছেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। চলতি জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে এই শহরে করোনার সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তার ওপর শহরে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১জনের মৃত্যু বাসিন্দাদের উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় বর্ধমান শহর ও তার আশপাশ এলাকায় ৪১ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

বর্ধমান শহরে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন বাসিন্দা। এই নিয়ে এই শহরে আক্রান্ত পুরুষ মহিলার সংখ্যা ৮০ জন ছাড়িয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে বেশিরভাগই আক্রান্ত হয়েছেন গত সাত দিনে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, বর্ধমান শহর লাগোয়া এলাকায় আরও ১৩ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্ধমান এক নম্বর ব্লকে পাঁচ জন ও বর্ধমান দু নম্বর ব্লকে আট জন আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে একদিনে নতুন করে বর্ধমান শহর ও লাগোয়া এলাকায় ৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এই সময়ে শহরের ছোটনীলপুর ও বড়নীলপুর এলাকায় বেশ কয়েকজন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। বর্ধমান শহরের ডাক্তার পাড়া হিসেবে পরিচিত খোশবাগান এলাকায় আট জনেরও বেশি চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে অনেকেই ডাক্তারখানায় যেতেও ভয় পাচ্ছেন। প্যাথোলজিক্যাল সেন্টারগুলোতেও ভিড় কমেছে অনেকটাই।

বর্ধমানের ব্যবসায়ীরা বলছেন, আনলক পর্বের হাত ধরে ধীরে ধীরে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসছিল। দোকান বাজারে ভাল কেনাবেচা চলছিল। কিন্তু করোনার সংক্রমণ সেই স্বাভাবিক হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল। সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বর্ধমান শহর জুড়ে বুধবার থেকে একটানা সাত দিন পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। ব্যবসায়িক ক্ষতির কথা মাথায় রেখেও প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বর্ধমানে ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, 'ব্যবসায় আর্থিক ক্ষতি একদিন পুষিয়ে নেওয়া যাবে। কিন্তু প্রাণহানি হলে সেই ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়। তাছাড়া যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে কর্মী থেকে শুরু করে আমরা সকলেই আতঙ্কিত। বাড়ির লোকেরা এখন দোকান বন্ধ রাখতেই বলছেন। তাই লকডাউন করে সঠিক ও সময়োপযোগী  পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা প্রশাসন'।

Published by: Pooja Basu
First published: July 22, 2020, 2:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर