corona virus btn
corona virus btn
Loading

খাস কলকাতাতেই রমরম করে চলছে ভুয়ো করোনা পরীক্ষা! বড় চক্র পুলিশের জালে

খাস কলকাতাতেই রমরম করে চলছে ভুয়ো করোনা পরীক্ষা! বড় চক্র পুলিশের জালে
এই ক্লিনিকেই রমরমিয়ে চলছিল করোনা পরীক্ষা।

সাধারণ মানুষ সরকারি ১১টি পরীক্ষা কেন্দ্র এবং বেসরকারি ৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে করোনা পরীক্ষা করতে পারবে। এর বাইরে কোথাও যদি করোনা পরীক্ষা করা হয়, তা শুধু বেআইনি নয় রিপোর্টও সঠিক হবে না।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে এখনও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৪৪, মৃত্যু হয়েছে ৬৮ জনের। করোনা আক্রান্ত হলেও অন্য রোগে আরও ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাভাবিক ভাবেই বহু মানুষ জানতে চাইছেন তিনি করোনা আক্রান্ত কিনা। স্বাস্থ্য দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী , একমাত্র কোন চিকিৎসক বা হাসপাতালে তরফ থেকে লিখে দেওয়া না হলে কোন ব্যক্তির করো না পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ব রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এর অনুমোদন ছাড়া কোন পরীক্ষাগার বা ক্লিনিক করোনা পরীক্ষা করতে পারবে না। তবু মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়েই ব্যবসা ফেঁদে বসেছিলেন ওঁরা। কোনও প্রত্যন্ত গ্রাম নয়, কলকাতাই রমরম করে চলছিল ভুয়ো করোনা পরীক্ষা।

কলকাতার কাঁকুড়গাছি অঞ্চলে ত্রিবেণী ক্লিনিক অবৈধভাবে করোনা পরীক্ষা করছিল। এক নাগরিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তার সত্যতা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। তদন্তের ভিত্তিতে দেখা যায়, এই ক্লিনিকটির কোনও সরকারি অনুমোদন নেই। নেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)- এর কোনও অনুমোদনও। সম্পূর্ন আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে এই বেসরকারি ক্লিনিক করোনা পরীক্ষা করার ব্যবসা রমরম করে চালাচ্ছিল। স্বাস্থ্য দফতর তড়িঘড়ি এই ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ দেয়।

২০১৭ সালের রাজ্য ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইন অনুযায়ী ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই ক্লিনিকের মালিকের বিরুদ্ধে। ফুলবাগান থানায় এই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।বুধবার সকালেই ফুলবাগান থানা পুলিশ এই ক্লিনিকের সামনে ব্যারিকেড করে দেয় এবং ক্লিনিকটি সিল করে দেয়।

তদন্তে নেমে দেখা যাচ্ছে, এই ক্লিনিকে যে সমস্ত করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই রিপোর্ট নেগেটিভ দেওয়া হয়। বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস জানান, "ই ধরনের রিপোর্টে বড়সড় সমস্যা হতে পারে। কোনো করোনা পজিটিভ ব্যক্তির যদি নেগেটিভ রিপোর্ট আসে, তবে আর রক্ষা নেই। নেগেটিভ রিপোর্ট হাতে সংক্রমিত ব্যক্তি ঘুরে বেড়ালে করোনা সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এই ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।"

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে,চিকিৎসক বা হাসপাতালের নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণ মানুষ সরকারি ১১টি পরীক্ষা কেন্দ্র এবং বেসরকারি ৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে করোনা পরীক্ষা করতে পারবে। এর বাইরে কোথাও যদি করোনা পরীক্ষা করা হয়, তা শুধু বেআইনি নয় রিপোর্টও সঠিক হবে না।

Published by: Arka Deb
First published: May 6, 2020, 1:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर