corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আতঙ্কের দিন শেষ? অগাস্টেই কলকাতাবাসীর শরীরে Herd Immunity

করোনা আতঙ্কের দিন শেষ? অগাস্টেই কলকাতাবাসীর শরীরে Herd Immunity

কলকাতায় প্রতিদিন নতুন করে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে ৪৫০ থেকে ৬৫০-র মধ‍্যে ওঠানামা করছে।

  • Share this:

কলকাতা : চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ মিলে গেলে কোভিড নিয়ে আতঙ্কের দিন শেষ হয়ে আসছে শহর কলকাতায়। কলকাতায় প্রতিদিন নতুন করে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে ৪৫০ থেকে ৬৫০-র মধ‍্যে ওঠানামা করছে। এই পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেই শহরের চিকিৎসকদের একটা বড় অংশের মত এই মুহূর্তে শহর কলকাতার ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ কোভিড আক্রান্ত। এই শতকরা হিসেবটা কুড়ি শতাংশ অতিক্রম করলেই শহরবাসীর শরীরে তৈরি হয়ে যাবে Herd Immunity। একবার মানুষের শরীরে এই Herd Immunity তৈরি হলেই করোনা প্রতিরোধে ম্যাজিকের মত কাজ করবে সেটা।

শহরের কোভিড স্ট্র্যাটেজি দলের অন্যতম সদস্য চিকিৎসক দীপ্তেন্দ্র সরকার এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‌যে কোন শহরে কুড়ি শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হলেই শহরবাসীর শরীরে Herd Immunity পাওয়ার তৈরি হয়ে যাওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে আমাদের শহরের মানুষজনের মধ‍্যে অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে Herd Immunity চলে আসার কথা।"

Herd Immunity–র পাশাপাশি এই মুহূর্তে আরও দুটো বিষয়ে জোর দিতে চান চিকিৎসক দীপ্তেন্দ্র সরকার। প্রথমত মাস্ক ব্যবহার। এই মুহূর্তে প্রত্যেকের মাক্স ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা উচিত বলে মনে করছেন শহরের এই বিশিষ্ট চিকিৎসক। সঠিক ভাবে মাস্ক ব্যবহার করলে কোভিড সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যাবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। মার্কিন মুলুকের মিসৌরির একটি উদাহরণ তুলে ধরে দীপ্তেন্দ্র সরকার বলেন,"সেখানকার একটি লেডিস পার্লারে দু'জন কর্মী মাস্ক পরে ১৪০ জন গ্রাহককে পরিষেবা দেন। পরবর্তীকালে এই ১৪০ জনের মধ্যে ৭৮ জনকে করোনা পরীক্ষা করে দেখা যায় তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার শূণ‍্য। অর্থাৎ সঠিকভাবে মাক্স ব্যবহার করলে করোনা সংক্রমনের হার যে অনেকটাই কমানো যাবে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত কলকাতার চিকিৎসক মহল।

একই সঙ্গে দ্বিতীয় যে বিষয়টিতে জোর দিতে বলছেন শহরের কোভিড স্ট্র্যাটেজি দলের সদস্য ডক্টর সরকার, সেটি হল সেভ লাইফ। এই পদ্ধতিতে শহরের যত বেশি সংখ্যক হাসপাতালে করোনা আক্রান্তদের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সম্ভব হলে প্রতিটি হাসপাতালে বেডের ব্যবস্থা করতে হবে।এছাড়াও নিয়ন্ত্রিত করতে হবে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় অবাধ যাতায়াত ব‍্যবস্থা। এতে আখেরে লাভ হবে জেলা-শহরগুলোর। জলপাইগুড়ি কিংবা কোচবিহারের মতো সদর শহরে কোভিডের হার নিয়ন্ত্রিত করতে এই মুহূর্তে আন্তঃজেলা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। বাঙালির শারদোৎসবের আগে-পরে কোভিড ভ্যাকসিন বাজারে চলে এলেই সেটাই হবে সব থেকে বড় প্রাপ্তি।

PARADIP GHOSH

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: July 19, 2020, 8:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर