corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা যুদ্ধে তৈরি পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেল, তৈরি হল ৬১৯টি আইসোলেশন কোচ

করোনা যুদ্ধে তৈরি পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেল, তৈরি হল ৬১৯টি আইসোলেশন কোচ

যে সমস্ত কোচ আইসোলেশন কোচের আকার পেয়েছে সেগুলিকে প্রতিনিয়ত জীবাণুমুক্ত করে রাখা হচ্ছে।

  • Share this:

#কলকাতা:করোনা মোকাবিলায় ৩৩৮টি যাত্রীবাহী কোচকে আইসোলেশন কোচে রুপান্তরিত করল পূর্ব রেল। পূর্ব রেলের তরফ থেকে তাদের চার ডিভিশনে তৈরি করা হয়েছে এই সমস্ত আইসোলেশন কোচ।

হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল ও মালদহ ডিভিশনে রেলের শেডে রেলের ইঞ্জিনিয়াররা বানাচ্ছেন এই সমস্ত কোচ। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব রেল জানিয়েছে তারাও আইসোলেশন কোচ বানিয়ে ফেলেছে।দক্ষিণ-পূর্ব রেল ২৮১ খানা যাত্রীবাহী কোচকে আইসোলেশন কোচের আকার দিয়েছে। যদি রেল মন্ত্রকের তরফে তাদের আরও এই ধরণের কোচ বানাতে বলে তাহলে তারা বাকি কোচও আইসোলেশন কোচের আকার দেবে।

ইতিমধ্যেই এই সমস্ত কোচ বাছাই করে রাখা হয়েছে। যে সমস্ত কোচ আইসোলেশন কোচের আকার পেয়েছে সেগুলিকে প্রতিনিয়ত জীবাণুমুক্ত করে রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভারতীয় রেল মন্ত্রকের তরফে প্রায় ৫০০০ আইসোলেশন কোচ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেল সূত্রে দাবি প্রয়োজন হলে প্রায় ২০০০০ কোচ রেল তৈরি করবে। ভারতীয় রেলের উৎকৃষ্ট রেক বাছাই করে শুরু হয়েছে এই আইসোলেশন কোচ। মুলত তৃতীয় শ্রেণীর কামরাগুলিকেই এই আইসোলেশন কোচের আকার দেওয়া হয়েছে।

একটি কোচে থাকে ৯টি ক্যুপ। প্রতি ক্যুপে ছ'টি করে আসন থাকে। ফলে একটি কামরায় শুধু ক্যুপের আসন থাকে ৫৪টি। আর সাইড আসন মিলিয়ে আরও ১৮টি আসন থাকে। এই নতুন আইসোলেশন কোচের মিডল আসন সব কটি তুলে দেওয়া হয়েছে। আপার ও লোয়ার আসন থাকছে। যদিও কোচের আটটি ক্যুপের দুটি করে আসন ব্যবহার করা হবে। সব মিলিয়ে ১৬ আসন ব্যবহার হবে রোগীদের জন্য। একটি ক্যুপের ২ আসন ব্যবহার হবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য। কোচের সাইড আসন ব্যবহার হবে চিকিৎসার সরঞ্জাম সহ নানা জিনিষ রাখার জন্য। বদল আনা হয়েছে ট্রেনের কোচের শৌচালয়। একটি কোচে চারটি শৌচালয়ের মধ্যে দুটিতে স্নান করা যাবে। দুটি শৌচালয় আগের মতোই থাকছে। প্রতিটি ক্যুপ মোটা প্লাস্টিকের পরদা দিয়ে ঢাকা থাকছে। জানলা পুরোপুরি তারজালি দিয়ে ঢাকা থাকছে। ফলে মশা বা যে কোনও পোকা ঢুকতে পারবে না। এখন থেকেই প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর স্যানিটাইজ করা হচ্ছে কামরাগুলি।

জরুরি চিকিৎসার জন্য এখানে ব্যবহার করা যাবে ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপ সহ সমস্ত আধুনিক ব্যবস্থা এখানে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া থাকছে সমস্ত ক্যুপে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করার সুযোগ। মোট ৫টি কোচের কাজ পুরোপুরি শেষ। নতুন কোচে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা অন্তর বদলে ফেলা হবে চাদর-সহ সব কিছু।পূর্ব রেলের কাঁচরাপাড়া, লিলুয়া, টিকিয়াপাড়া, হাওড়ার সিক লাইন, চিৎপুর, অন্ডাল, মালদহ ও ভাগলপুরে এই কোচ তৈরি করা হয়েছে পূর্ব রেলের তরফ থেকে। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর, আদ্রা ও রাঁচীতে এই সমস্ত আইসোলেশন কোচ বানানো হয়েছে।

Abir Ghoshal

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: April 10, 2020, 10:37 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर