• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • ভ্যাকসিনের ভুল ডোজেই মরছে করোনা ভাইরাস, জানাচ্ছে অক্সফোর্ড!

ভ্যাকসিনের ভুল ডোজেই মরছে করোনা ভাইরাস, জানাচ্ছে অক্সফোর্ড!

প্রতীকী চিত্র ।

প্রতীকী চিত্র ।

স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে নেহাতই ভুল করে বেঠিক ডোজ-এ ভ্যাকসিন দেওয়া হয় । বিষ্ময়কর সাফল্য আসে এর ফলে ।

  • Share this:

#ব্রিটেন: সত্যি বলতে কী, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ক্ষেত্রে এ যেন এক স্বতঃসিদ্ধ ব্যাপার! প্রত্যাশিত ফলাফলের লক্ষ্যে নিয়ম মেনে চলা নয়, বরং অপ্রত্যাশিত নিয়মভাঙা কোনও এক ব্যাপারই এনে দিচ্ছে যুগান্তকারী সাফল্য! যা সম্প্রতি ঘটেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা নামের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একজোট হয়ে এই সংস্থা আপাতত কোভিড ১৯ ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা বা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।

সোমবারই এই সংস্থা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছিল যে, তাদের তৈরি ভ্যাকসিন প্রথমবার প্রয়োগের ক্ষেত্রেই অন্তত ৯০ শতাংশ রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। আর তার ঠিক পরেই অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল এক চাঞ্চল্যজনক তথ্য। এই দুই সংগঠনের তরফে সম্প্রতি দাবি করা হল যে পূর্ণ পরিমাণ বা ডোজ নয়, বরং অর্ধেক ডোজেই কোভিড ১৯ ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করে চলেছে তাদের তৈরি করা ভ্যাকসিন। এবং এই অর্ধেক ডোজ প্রয়োগের ব্যাপারটা ঘটেছিল নেহাতই ভ্রান্তিবশে!

খবর বলছে যে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আপাতত তাদের ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় দফার ট্রায়াল চলছে। দেখা গিয়েছে যে মোটামুটি ভাবে ৬২ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন। সব মিলিয়ে এই দুই সংগঠন তাদের ভ্যাকসিনের সফল কার্যকারিতার পরিমাণ ৭০ শতাংশ বলে নির্দেশ করছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের খবর মোতাবেকে প্রথমে ব্রিটেনের অধিবাসী স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে তাদের ভ্যাকসিন পূর্ণ ডোজেই প্রয়োগ করা হয়েছিল। পরে অকস্মাৎ নেহাতই ভুল করে অর্ধেক ডোজ প্রয়োগ করা হয়। আর তাতেই প্রকাশ্যে আসে বিস্ময়কর সাফল্য। দেখা যায় যে অতি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন রোগীরা।

সব মিলিয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কোভিড ১৯ ভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন বিশ্বে আশার আলো দেখাচ্ছে। এর আগে ইউনাইটেড স্টেটস-এর তরফে যখন Pfizer ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছিল, তখন প্রয়োগের পর স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে নিদারুণ ক্লান্তি, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে এ হেন উপসর্গ থাকলেও তার পরিমাণ নিতান্তই যৎসামান্য বলে দাবি করেছেন ইউনাইটেড কিংডমের চিকিৎসক তথা বিজ্ঞানীরা।

Published by:Simli Raha
First published: