• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • করোনার জেরে রোগীরা যেতে ভয় পাচ্ছেন ডাক্তারখানায়, নতুন ট্রেন্ড অনলাইন ট্রিটমেন্ট

করোনার জেরে রোগীরা যেতে ভয় পাচ্ছেন ডাক্তারখানায়, নতুন ট্রেন্ড অনলাইন ট্রিটমেন্ট

এর সবথেকে বড় সুবিধে এটাই হবে যে দেশের যে কোনও প্রান্তের হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে রোগীকে আর তাঁর সঙ্গে অতীতের পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট বয়ে নিয়ে যেতে হবে না৷ কারণ তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ওই কার্ডেই সেভ করা থাকবে৷ Photo- Reuters

এর সবথেকে বড় সুবিধে এটাই হবে যে দেশের যে কোনও প্রান্তের হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে রোগীকে আর তাঁর সঙ্গে অতীতের পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্ট বয়ে নিয়ে যেতে হবে না৷ কারণ তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ওই কার্ডেই সেভ করা থাকবে৷ Photo- Reuters

চিকিৎসক ও রোগী সকলেই এই নতুন নিয়মে চিকিৎসা করাচ্ছেন, তবে বেশ কিছু অসুবিধাও হচ্ছে

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সারা পৃথিবীতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে ৷ করোনা ভাইরাসের জেরে  কোথাও লকডাউনের কারণ কোথাও আবার সংক্রমণের আতঙ্ক , ফলে সরাসরি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ট্রিটমেন্ট করাতে পারছেন না অনেকেই৷ অনেক চিকিৎসকই ইতিমধ্যেই অনলাইনে রোগীর রোগ নিরাময়ও শুরু করেছেন ৷

    রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও সংক্রমণ এড়াতে ভিডিও কল কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই রোগীর রোগ কমানোর উপায় বাতলাচ্ছেন ৷ নিয়মিত টেলিফোন কথোপকথনের পাশাপাশি এই উপায়গুলি ক্রমেই রোগী ও চিকিৎসক দু পক্ষের কাছেই পছন্দের উপায় হয়ে উঠছে ৷ এই মুহূর্তে লকডাউনের জেরে অর্থনৈতিক অবস্থাও  বেশ বড় ধাক্কা খেয়েছে ৷ এইভাবে ভার্চুয়াল মিডিয়ামে চিকিৎসা হচ্ছে ডায়াবেটিস অথবা কিডনির রোগের ক্ষেত্রে ৷ গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর সুশীলা কাটারিয়া জানিয়েছেন , ‘লকডাউন রয়েছে রোগীরা আসতে পারছেন না ৷ কিন্তু অসুখ তো অপেক্ষা করবে না ৷ ’

    কাটারিয়া জানিয়েছেন তিনি অন্তত ৮০ শতাংশ রোগীর অনলাইনে চিকিৎসা করছেন তবে প্রয়োজন হলেই স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁদেরকে ডাকছেন ৷

     ভারতে মার্চ মাস থেকে দারুণ কড়াভাবে লকডাউন চলছে তবুও এখনও অবধি সারা দেশে আক্রান্ত ১৬৫,০০০ পাশাপাশি ৪৭০৬ ৷ এই সংক্রমণের জেরে হাসপাতালে বেডের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে ৷ চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মী সকলেই এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন এই মারণ ভাইরাস থেকে রোগীদের চিকিৎসাতেই ৷

    সাধারণ অবস্থায় হাসপাতালে যা চাপ থাকে, এখন তার থেকে অনেকগুণ বেশি চাপ ৷ টেলিমেডিসিন গাইডলাইনস দেওয়া হয়েছে ঠিক কীভাবে ইন্টারনেট কন্সালটেশন করা হবে ৷

    রোগীরা অনলাইনে অ্যাপয়ন্টমেন্ট নিতে হচ্ছে ৷ তবে এক্ষেত্রে রোগীকে আগে পেমেন্ট করে তবে পরিষেবা নিতে হবে ৷ এখন এই বিষয়টিকে ফর্ম্যাল করার পদক্ষেপ চলছে ৷ জেনারেল ফিজিশিয়ান দেবেন্দ্র তানেজা জানিয়েছে এমার্জেন্সি কলে সবচেয়ে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে ৷ তবে অ্যাডভান্সড বুকিং নিলে খরচ অনেকটা কম৷ তবে হোয়াটসঅ্যাপ কল বুক করলে তার খরচ অনেকটাই কম হচ্ছে ৷

    তবে অনলাইনে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডাক্তারদের লড়াই করতে হচ্ছে ৷ কারণ অনেকক্ষেত্রেই খারাপ নেটওয়ার্কের জন্য পেশেন্টদের ভরসা পাচ্ছেন না ৷

    এছাড়াও সরাসরি শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা না করতে পারায় প্রেগন্যান্ট মহিলারা একটু বিপাকেই জন্য কলডিস্ট মুক্তা কাপলিয়া জানিয়েছেন, ‘সমবেদনার ছোঁয়া যদি সরসরি রোগীর শরীর স্পর্শ হিসেবে না পায় তাহলে রোগীদের মনে হয় তাঁদের চিকিৎসা অসম্পূর্ণ আছে ৷ ’

    Published by:Debalina Datta
    First published: