corona virus btn
corona virus btn
Loading

৩ হাজার ৮৬ কোটির অনিয়ম! প্রশাসনের দিকে অভিযোগের আঙুল দিলীপ ঘোষের

৩ হাজার ৮৬ কোটির অনিয়ম! প্রশাসনের দিকে অভিযোগের আঙুল দিলীপ ঘোষের
সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ।

রাজ্যের শ্রমিকদের এখনও ঘরে ফেরানোর অবস্থানেই অনড় বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

  • Share this:

#কলকাতা: আমফান মোকাবিলায় রাজ্যকে ১০০০ কোটির প্যাকেজ দিয়েছে কেন্দ্র। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন কেন্দ্রের প্যাকেজ নিয়ে দাবি করেন ১০০০ কোটির দেখানো প্যাকেজ আদতে বিভ্রান্তির। এই আবহে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের দিলীপ ঘোষ বিস্ফোরক দাবি করলেন।‌দিলীপ ঘোষের অভিযোগ,  ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত রাজ্যকে দেওয়া ৩০৮৬ কোটি টাকার কোনও হিসেব নেই।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলছেন আয়লা, বুলবুল, নদী সংস্কার, বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকায় ২ চব্বিশ পরগনায় শেল্টার হাউস তৈরি সহ একাধিক খাতে ২০০৯ সাল থেকে রাজ্যে এসেছে হাজার হাজার কোটি টাকা। সেই টাকার কোনও হিসেব দেয়নি রাজ্য। তাঁর কথায় "অধিকাংশ প্রকল্পের তাই কোন কমপ্লিট সার্টিফিকেট নেই। অথচ উনি শুধু কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না টাকা দিচ্ছে না বলে চিৎকার করেন।"

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ গুরুত্বহীন বলে এদিন মন্তব্য করেন রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ফিরহাদ হাকিম জানান, "সস্তার রাজনীতি করতে এসব বলছে বিজেপি। সব সরকারি খরচের অডিট হয়।"

দিলীপ ঘোষ আরও বলছেন, ম্যানগ্রোভ  ধ্বংস করে ভেরি হচ্ছে বেআইনিভাবে। ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হয়ে পড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় সওয়ার শক্তি হারাচ্ছে সুন্দরবন। এই ভেরি তৈরিতে শাসকদলের প্রচ্ছন্ন মদত দেখছেন দিলীপ।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, "রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের একজন মন্ত্রী আছেন। গত সাতদিন তাঁকে দেখা যায়নি কোথাও। ওঁর দপ্তর কিসের জন্য তাহলে!" পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁদের ব্যবহার করা হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে মন্ত্রী সাধন পান্ডের নাম উল্লেখ করেন।

‌রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, দায় চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে সিইএসসি-র ঘাড়ে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের এই আমফান ধ্বস্ত পরিস্থিতিতে ফেরাতে সময় চাইছে রাজ্য। দিলীপ আজ বিঁধলেন সেই ইস্যুকে ধরেই। তিনি বলেন, "মাত্র ৩৫ হাজার পরিযায়ী শ্রমিক রাজ্যে ফিরেছে এখনো ৩৪ লক্ষ পরিযায়ী রাজ্যে ফিরবে। বাংলা পরিযায়ী শ্রমিক ভিন রাজ্যে কাজ করবে আমাদের রাজ্যের তাঁরা রেভিনিউ বাড়াবে আর তাদের ঘরে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেবে না রাজ্য সরকার এটা কি করে হয়।"

রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন তিনি। বলছেন, রাজ্যে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকরা ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকু সঠিকভাবে পাচ্ছেন না। চিকিৎসার কোনও সুযোগ পাচ্ছেন না তাঁরা। গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভারগুলির ঘাড়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার, তাতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে।

 যদিও লকডাউনের মধ্যে রাজ্যে কোনও বিক্ষোভ প্রদর্শন চায় না বিজেপি, এ দিন সাফ জানান দিলীপ ঘোষ।

Published by: Arka Deb
First published: May 26, 2020, 11:55 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर