corona virus btn
corona virus btn
Loading

সুখবর! ১৫ জুন থেকে ফের সমুদ্রে দিঘার মৎস্যজীবীরা

সুখবর! ১৫ জুন থেকে ফের সমুদ্রে দিঘার মৎস্যজীবীরা
দিন কয়েকেই কাজে ফিরবেন দিঘার মৎস্যজীবীরা।

রবিবার প্রশাসনিক বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আগামী ১৫ জুন থেকে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে নামবেন।

  • Share this:

দিঘা প্রায় তিন মাস পর, আগামী ১৫ জুন থেকে আবারও  সমুদ্রে নামতে চলেছে মৎস্যজীবিদের ট্রলার। দীর্ঘ ৮৪ দিন পর আবারও মাছ ধরতে নামবেন দিঘা শংকরপুর এলাকার হাজার হাজার  মৎস্যজীবী এবং মাছ ধরার ট্রলার।

রবিবার প্রশাসনিক বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আগামী ১৫ জুন থেকে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে নামবেন। তবে কোভিড১৯ সংক্রান্ত সব রকম সরকারি নিয়মকানুন মেনেই মৎস্য বন্দরের কাজকর্ম চলবে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলাপরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস, রামনগরের বিধানসভার বিধায়ক অখিল গিরি ,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শম্পা মহাপাত্র, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই প্রধান, দীঘা ফিশারমেন এন্ড ফিস টেড্রার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, সম্পাদক এবং এডিশনাল ডেপুটি ডিরেক্টর (মেরিন) সুরজিৎ বাগ সহ অন্যান্যরা।

জানা গিয়েছে, কেন্দ্র ও রাজ্যের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে মৎস্যজীবীদের এর ক্ষেত্রে। ঠিক হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে যাবেন। মৎস্যদপ্তরের অতিরিক্ত ডেপুটি ডিরেক্টর সুরজিৎ বাগ বলেন, "পূর্ব ভারতের উপকূলীয় ভাগে মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে ১৪ তারিখ। তাই  সবার সাথে আলোচনা করে ১৫ জুন থেকে মৎস্য শিকার করা যাবে বলে দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। যদিও জেলা প্রশাসনের সাথে এনিয়ে আবারও বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে। ঠিক হয়েছে, স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে সব মৎসজীবীদেরই। ৫০% লোক নিয়ে কাজ করা যেহেতু সমস্যার, তাই মাছ ধরতে যাওয়ার আগে প্রতিটি নৌকা স্যানিটাইজ করতে হবে। কর্মীদের গ্লাভস, মাস্ক, গামবুটও হেডক্যাপ ব্যাবহার করতে হবে এবং ট্রলারে ওঠার আগে থার্মাল চেকিং করা হবে।"

বহুদিন মৎস্য উৎপাদন বন্ধ থাকার ফলে জেলার অর্থনৈতিক ঘাটতি দেখা  দিয়েছে বলে এ দিন বলেন বৈঠকে উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা। মৎস্যজীবিদের কথায়, "আমরা যদি মাছ না ধরি তবে  পাশের রাজ্য ও অন্য জেলা তার সুফল পাবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমরা পিছিয়ে পড়ব।"

দিঘা ফিস এন্ড ফিস ট্রেডার্স  পক্ষে সভাপতি প্রণব কর বলেন, "বহু মৎস্যজীবীই মালিকদের কাছ থেকে দাদন নিয়েছেন। করোনার ফলে ফিসিং বন্ধ। তাই এবার দাদন ফেরানোর জন্য কিছু কিছু মালিক চাপ দিচ্ছেন। আবার কিছু মালিক ও মৎস্যজীবি সমুদ্রে মাছ ধরা আরও পেছনোর পক্ষে মত দেন। যদিও প্রশাসনের ঠিক করা সব রকম সরকারি নিয়ম মেনেই তাঁরা ১৫ জুন থেকেই জলে নামছেন বলে  মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন।  কিন্তু যে কাজ ১৪ জন মিলে করে, সেটা ৭ জনে করতে পারবেন না বলে মত দিয়েছেন সব মৎস্যজীবীই। তবুও তাঁরা বলছেন, করোনা লকডাউনকে সঙ্গী করেই সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ চালিয়ে যেতে হবে সকলকেই।

SUJIT BHOWMIK

Published by: Arka Deb
First published: June 7, 2020, 9:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर