করোনা ভাইরাস

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘বিজেপির ভাষাতেই কথা বলে, কেন্দ্রীয় দল রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়াতে এসেছে’, তোপ ডেরেক ও ফিরহাদের

‘বিজেপির ভাষাতেই কথা বলে, কেন্দ্রীয় দল রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়াতে এসেছে’, তোপ ডেরেক ও ফিরহাদের
Pic: Facebook(Derek O'Brien )

মুখ্যসচিবকে জোড়া চিঠি কলকাতায় আসা কেন্দ্রীয় দলের। চিঠিতে, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অসহযোগিতার অভিযোগ। এতেই কটাক্ষের সুর ডেরেক ও’ব্রায়েন ও ফিরহাদ হাকিমের গলায় ৷

  • Share this:

#কলকাতা: কেন্দ্রীয় কোভিড টিম নিয়ে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতির দড়ি টানাটানিতে বিরাম নেই ৷ সংঘাতে চিঠির পাল্টা চিঠি ৷ মুখ্যসচিবকে জোড়া চিঠি কলকাতায় আসা কেন্দ্রীয় দলের। চিঠিতে, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অসহযোগিতার অভিযোগ। এতেই কটাক্ষের সুর ডেরেক ও’ব্রায়েন ও ফিরহাদ হাকিমের গলায় ৷

ফের কেন্দ্রীয় দলের কড়া চিঠি ৷ মুখ্যসচিবকে জোড়া চিঠি কলকাতায় আসা কেন্দ্রীয় দলের রাজ্যের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অসহযোগিতার অভিযোগ ৷ তাদের এই মর্মে চিঠিতে প্রবল ক্ষুব্ধ শাসক দল ৷ ডেরেক বলেন, কেন্দ্রীয় দল রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়াতে এসেছে ৷ কটাক্ষের সুর ফিরহাদ হাকিমের গলাতেও ৷ তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিজেপির সুরে কথা বলছে কেন্দ্রীয় দল। রাজ্যকে সাহায্য করছে না, অন্যদিকে চিঠি লিখে দিল্লিকে সন্তুষ্ট করছে ৷’

করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার রাজ্যে আসে দুটি কেন্দ্রীয় দল। তখন থেকেই নবান্নের সঙ্গে সংঘাত তুঙ্গে। সপ্তাহের শেষে এসেও তা থামার লক্ষ্মণ নেই। শনিবার, মুখ্যসচিবকে দু’-দুটি চিঠি লেখেন কলকাতায় আসা পর্যবেক্ষক দলের প্রধান অপূর্ব চন্দ্র। তাঁর দাবি,সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যসচিব বলেছেন, কেন্দ্রীয় দল যেখানে খুশি যেতে পারে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে রাজ্যের আধিকারিকদের ঘোরার সময় নেই। মুখ্যসচিবের এই অবস্থান কেন্দ্রের নির্দেশের অবমাননা। কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে কোনও পুলিশ এসকর্ট নেই। কারও কিছু হলে রাজ্য কি দায় নেবে? কেন্দ্রীয় দলের কিছু হলে BSF কি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে? এক পুলিশকর্তা ২৪ এপ্রিল BSF-কে জানান, রাজ্যের অনুমতি ছাড়া কেন্দ্রীয় দলকে বেরোতেই দেওয়া হবে না। বেরোলে সোজা বিমানবন্দরে যেতে হবে।

মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে কলকাতায় আসা কেন্দ্রীয় দলের প্রশ্ন, তাদের কি PPE দেওয়া হবে? স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ১০টি বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু, রাজ্য কিছুই জানায়নি।

কলকাতায় আসা কেন্দ্রীয় দলের প্রধানের অভিযোগ, ডুমুরজলা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার ঘুরেছি। সেখান থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য একই গাড়িতে অনেককে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। হাওড়ার সঞ্জীবন হাসপাতালে ভাল কাজ হচ্ছে। তবে, সেখানে মাত্র ৭০ করোনা আক্রান্তের চিকিৎসা হচ্ছে। রোগী বাড়লে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী বাড়াতে হবে।

কেন্দ্রীয় দলের এ সব অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। তাদের দাবি, বিজেপির সুরে কথা বলছে কেন্দ্রীয় দল। এর আগে বৃহস্পতিবার, মুখ্যসচিবকে চিঠি লেখেন, উত্তরবঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় দলের প্রধান বিনীত জোশী। তাঁর দাবি,করোনা মোকাবিলায় আরও কড়া লকডাউন দরকার। সরকারি পদক্ষেপ কতটা মানা হচ্ছে তা জানার জন্য আরও বেশি আধিকারিককে ময়দানে নামানো উচিত।

উত্তরবঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় দলের দাবি, জেলা প্রশাসনের থেকে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। কিন্তু মেলেনি। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করার আরজি জানানো হয়েছে। কিন্তু, সেই বৈঠকও হয়নি। পাল্টা কেন্দ্রীয় দলকে আক্রমণ করতে দেরি করেননি তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। কেন্দ্রীয় দলের রাজ্যে আসা নিয়ে এ ভাবেই রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

Published by: Elina Datta
First published: April 26, 2020, 12:20 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर