corona virus btn
corona virus btn
Loading

শহরে কন্ডোম ও গর্ভ নিরোধক ট্যাবলেটের চাহিদা তুঙ্গে !

শহরে কন্ডোম ও গর্ভ নিরোধক ট্যাবলেটের চাহিদা তুঙ্গে !

গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট, কন্ডোম এবং যৌনশক্তি বর্ধক ওষুধের বিক্রিও সমান হারে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।

  • Share this:

 #কলকাতা: হাতে অফুরন্ত সময়। ২১ দিন ধরে লকডাউন চলবে। ঘরের বাইরে বেরোলে পুলিশের বকুনি কিংবা লাঠি পেটা।  স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ব্যস্ত দিনে দেখা হয় খুব কম সময়ের জন্য। এই লকডাউনের বাজারে মুখোমুখি বসে থাকা ছাড়া আর কোন কাজ নেই। এইভাবে থাকতে গিয়ে যাতে নতুন করে আবার বংশবিস্তার না হয়ে যায়, তার জন্য কিন্তু সজাগ স্বামী-স্ত্রীরা।  ওষুধের দোকান গুলো খোঁজ নিয়ে দেখা গেল লকডাউন এ পরিবহন ব্যবস্থা অনেকটাই স্তব্ধ। যার ফলে ওষুধ থেকে পণ্য পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র অনেকটাই অমিল হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কে মধুমেহ এর ওষুধ, নার্ভের ওষুধ, হার্টের ওষুধ , ইত্যাদি অতিপ্রয়োজনীয় ওষুধ,যেগুলি প্রতিদিন মানুষকে খেতে হয় ,সেগুলো বেশি করে কিনছে। আতঙ্ক ,যদি পরে না পাওয়া যায়।   তবে বেশ মজার ঘটনা গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট, কন্ডোম এবং যৌনশক্তি বর্ধক ওষুধের বিক্রিও সমান হারে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।

বিভিন্ন ওষুধ দোকান ঘুরে তথ্য পাওয়া গেল, অনেক মানুষ ভেবেছেন অনির্দিষ্টকালের জন্য এই লকডাউন ঘোষণা হতে পারে। দরজা বন্ধ করে ভেতরে থাকতে বলছেন সরকার। তাই মহিলার মাসে একটি পাতা লাগতো গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট ।তিনি পাঁচ পাতা নিচ্ছেন। কন্ডোম ? বলতে গিয়ে ওষুধ দোকানদার খিল খিল করে হেসে ফেললেন , বললেন, মুঠোভর্তি যা ধরে ! তাই নিয়ে যাচ্ছে।   যৌন বর্ধক ট্যাবলেট? দোকানদার আবার হেসে বললেন । ' আমার কাছে যা ছিল শেষ। খরিদ্দার খোঁজ করতে আসছেন ।কিন্তু দিতে পারছিনা।   এত গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট বিক্রি হওয়ার কারণ কি? দুই একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জানা গেল, তাদের দাবি যেভাবে ভাইরাস সংক্রমণ হচ্ছে এই মুহূর্তে । সে কারণে কেউ গর্ভধারণ করতে চাইছেন না। সবাই আশঙ্কার মধ্যে রয়েছে। তাই বেশির ভাগ মহিলারাই যাতে গর্ভবতী না হয়ে পড়েন ,তার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে। এছাড়া ঘরে থাকলেই বংশ বৃদ্ধির প্রবণতা থাকে।তাই আগে ভাগে সাবধান হয়ে যাওয়া।   মানুষ নিজেদের সচেতনতার জন্যই  আগে ভাগে নিত্য প্রয়োজনিয় সামগ্রীর সঙ্গে কন্ডোম ও গর্ভনিরোধক ওষুধও কিনে রাখছেন।

SHANKU SANTRA 

Published by: Piya Banerjee
First published: March 27, 2020, 6:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर