করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

এক জেলাতেই সাতশো ছুঁতে চলল করোনা সংক্রমণ, নম্বর যোগ হচ্ছে মৃত্যু মিছিলেও

এক জেলাতেই সাতশো ছুঁতে চলল করোনা সংক্রমণ, নম্বর যোগ হচ্ছে মৃত্যু মিছিলেও

রয়েছে লকডাউন, সংক্রমণও ছড়াচ্ছে হু হু করে পূর্ব বর্ধমানে৷

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান:  জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই জেলায় সাতশোর কাছাকাছি কাছাকাছি পুরুষ-মহিলা ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারশো একান্ন জন চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে কোভিড হাসপাতাল,সেফ হাউস ও সেফ হোমে রয়েছেন দুশো দশ জন। গত চব্বিশ ঘন্টায় নতুন করে এই জেলায় পনের জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ দিন পর্যন্ত এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে চোদ্দ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনার সংক্রমণে রাশ টানতে রাজ্যজুড়ে লকডাউনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বুধবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বর্ধমান শহরে একটানা লকডাউন চলেছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে রবিবার থেকে লকডাউনের আওতায় ছিল কাটোয়া, কালনা মেমারি শহর ও ব্যাপকভাবে করোনা আক্রান্ত দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। মঙ্গলবার সেই লকডাউনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার ব্যাংকের পাশাপাশি শহরগুলির সবজি বাজার, মাছ বাজার, মুদিখানা দোকানও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার রাজ্যের সঙ্গে লকডাউন চলছে এই জেলাও। টানা লকডাউন চললেও বর্ধমান শহর সহ জেলাজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাই নতুন করে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে জেলাজুড়ে বাসিন্দাদের মধ্যে জল্পনা চলছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকাভিত্তিক আক্রান্তের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে। কোন কোন এলাকায় সংক্রমণের ব্যাপকতা কতটা তা পর্যালোচনা চলছে। সবকিছু খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লকডাউনের মেয়াদ বাড়লে বুধবার রাতের মধ্যেই তা জেলার বাসিন্দাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে প্রশাসনের অন্য এক সূত্রে জানা গিয়েছে, একটানা আট দিন লকডাউনের পর দু একদিন তা শিথিল করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়লে রবিবার থেকে ফের লকডাউন এর কথা ভাবা হবে।

যদিও সচেতন বাসিন্দারা এখনও লকডাউন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই মত ব্যক্ত করেছেন। সেইসঙ্গে পরীক্ষা বাড়ানোর দাবিও তুলেছেন তাঁরা। বাসিন্দারা বলছেন, আক্রান্তদের চিহ্নিত করাই এখন সবচেয়ে আগে জরুরি। অথচ সেই কাজেই এখনও খামতি থেকেই যাচ্ছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে আলাদা করা না গেলে লকডাউনের পুরোপুরি সুফল মিলবে না। তাই প্রশাসনের উচিত পরীক্ষার ওপর বাড়তি জোর দেওয়া। সেজন্য পরীক্ষা পরিকাঠামো বাড়ানো প্রয়োজন। ছোট ছোট এলাকা ধরে ধরে গ্রুপ টেস্টও করা যেতে পারে।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: July 29, 2020, 12:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर