corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে রাজ্যে প্রবেশ নিয়ে সমস্যা, অসম বাংলা বর্ডারে অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে টানা ১৭ ঘন্টা পড়ে রইল মৃতদেহ !

লকডাউনে রাজ্যে প্রবেশ নিয়ে সমস্যা, অসম বাংলা বর্ডারে অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে টানা ১৭ ঘন্টা পড়ে রইল মৃতদেহ !
  • Share this:

#তুফানগঞ্জ: অসম বাংলা বর্ডারে অ্যাম্বুল্যান্সের মধ্যে টানা ১৭ ঘন্টা মৃতদেহ পড়ে রইল । কোচবিহারের তুফানগঞ্জ পেরোলেই অসমের বক্সিরহাট। মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা থেকে বুধবার সকাল ১১টা পর্যন্ত বক্সিরহাট বর্ডারে দেহ পড়ে রইল। করোনা আতঙ্ক এবং লকডাউন। এই দুইয়ের মিশেলে অসমে মৃত হুসেন আলির দেহ রাজ্যে প্রবেশ নিয়ে ক্রমেই জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

কোচবিহার প্রশাসনের যুক্তি, ময়নাতদন্ত না করা দেহ রাজ্যে এভাবে প্রবেশ করানো যায়না। ময়নাতদন্তের নূন্যতম নথি দেখাতে পারেনি হুসেনের দেহ নিয়ে আসা অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও অন্যান্যরা। করোনা আতঙ্কের আবহে তাই দেহ নিয় অ্যাম্বুল্যান্স ফের গুয়াহাটি উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুপুর ১২টা নাগাদ।  অ্যাম্বুল্যান্স চালক রতন কিসকু জানাচ্ছেন, " গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ হোসেন আলীর মৃত্যু শংসাপত্র দেয় মঙ্গলবার সকালে। করোনায় মৃত্যু হয়নি হোসেন আলীর।গুয়াহাটি প্রশাসনের তরফে আমায় অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে দেহ উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে পৌঁছে দিতে বলা হয়।"

ইটাহারের দুর্লভপুর গ্রামে বাড়ি হোসেন আলীর। দীর্ঘদিন আসামের কামরূপ এলাকায় দিনমজুরের কাজ করতেন। দিন কয়েক আগে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। গায়ে হালকা জ্বর ছিল। গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয় ২৪ এপ্রিল।  মঙ্গলবার সকালে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ জানায়। মৃত্যু শংসাপত্রে জানানো হয় সেরিব্রাল হেমারেজে মৃত্যু হয়েছে হোসেন আলীর। কোভিড১৯ কোনও রিপোর্ট না থাকায় মৃতদেহ উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় অসম প্রশাসন। তাই কিছু স্থানীয় বাসিন্দার  মাধ্যমে হোসেন আলীর দেহ উত্তর দিনাজপুরে পাঠানোর ব্যবস্থা করে অসম প্রশাসন। যদিও অসমের ধুবড়ি এসে আটকে যায় অ্যাম্বুল্যান্স। ১৭ ঘন্টা পর ফের গুয়াহাটি উদ্দেশ্যে ফিরে গেছে অ্যাম্বুলেন্স।

Arnab Hazra

First published: April 29, 2020, 10:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर