• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • মৃত ব্যক্তির করোনা সন্দেহ! দেহ ছুঁলো না কেউ, সাইকেলে বেঁধে পাঠানো হল সৎকারে

মৃত ব্যক্তির করোনা সন্দেহ! দেহ ছুঁলো না কেউ, সাইকেলে বেঁধে পাঠানো হল সৎকারে

তবে কেউ এগিয়ে আসেনি৷ স্থাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কোনও সাড়াও মেলেনি৷ ফলে আসেনি অ্যাম্বুলেন্সও৷ সৎকারের জন্য দেহ পাঠাতে কোনও গাড়িও মেলেনি৷

তবে কেউ এগিয়ে আসেনি৷ স্থাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কোনও সাড়াও মেলেনি৷ ফলে আসেনি অ্যাম্বুলেন্সও৷ সৎকারের জন্য দেহ পাঠাতে কোনও গাড়িও মেলেনি৷

তবে কেউ এগিয়ে আসেনি৷ স্থাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কোনও সাড়াও মেলেনি৷ ফলে আসেনি অ্যাম্বুলেন্সও৷ সৎকারের জন্য দেহ পাঠাতে কোনও গাড়িও মেলেনি৷

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: করোনা নিয়ে ছড়িয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক৷ তার মধ্যেই দিন দিন সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এখন ভয় পাচ্ছেন মারাত্মক হারে৷ করোনা রোগী ও তার পরিবারকে একপ্রকার সামাজিকভাবে অচ্ছুত বানিয়ে ফেলছেন পাড়া প্রতিবেশীরা৷ সরকারি নানা প্রচারেও এই আতঙ্ক দূর করা যাচ্ছে না৷ যার ফলস্বরূপ করোনা আক্রান্ত সন্দেহে এক ব্যক্তির দেহ সাইকেলে বেঁধে পাঠানো হল সৎকারের জন্য৷

    ঘটনা কর্নাটকের বেলাগাভির এমকে হুব্বালি গ্রামের৷ গ্রামের এক ব্যক্তি ভুগছিলেন জ্বরে৷ তাই স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়৷ কিন্তু ভর্তি থাকাকালীন তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়৷ তখনই সেই বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তাকে করোনা চিকিৎসার জন্য নথিভুক্ত সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বলা হয়৷ যদিও সরকারি হাসপাতালে পাঠানোর আগে পরিবারের লোকজন তাকে বাড়ি নিয়ে আসে৷ বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়৷ তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এমনই সন্দেহ করা হয়েছিল৷ ফলে বাড়ির লোক খবর দেন স্থানীয় স্থাস্থ্যকেন্দ্রে৷ স্থাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হয়৷

    আরও পড়ুন নির্মম মা! ১৫ মাসের সন্তানকে সজোরে লাথি, শাশুড়িকে একের পর এক আঘাত

    তবে কেউ এগিয়ে আসেনি৷ স্থাস্থ্যকেন্দ্র থেকে কোনও সাড়াও মেলেনি৷ ফলে আসেনি অ্যাম্বুলেন্সও৷ সৎকারের জন্য দেহ পাঠাতে কোনও গাড়িও মেলেনি৷ কোনও উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত পরিবারের কাছে থাকা সাইকেলে বেঁধেই শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় মরদেহ৷ সেই সময় মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছিল৷ কিন্তু পরিবারের কাছে আর কোনও রাস্তা ছিল না৷ তাই প্রচণ্ড  বৃষ্টিতে সাইকেলে দেহ নিয়ে শেষযাত্রা হল ওই ব্যক্তির৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: