corona virus btn
corona virus btn
Loading

লক ডাউনে দাম বেড়েছে চাল ডাল তেলের, সমস্যায় সাধারণ মানুষ

লক ডাউনে দাম বেড়েছে চাল ডাল তেলের, সমস্যায় সাধারণ মানুষ

প্রশাসনিক উদাসীনতার জন্যই এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী লক ডাউনের সময় কৃত্রিম অভাব তৈরি করে কালোবাজারি করছেন বলে অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ ।

  • Share this:

#বর্ধমান: লক ডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েই চলেছে। চাল ডালের মতো যে সব সামগ্রী অবশ্য প্রয়োজন সে সব সামগ্রীর দাম ক্রমশ বেড়ে চলায় ক্ষুব্ধ বর্ধমানের বাসিন্দারা। খাদ্য সামগ্রীর কোনও ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য। তার পরেও জিনিসের দাম কেন ঊর্ধ্বমুখী তা জানতে চাইছেন বাসিন্দারা। প্রশাসনিক উদাসীনতার জন্যই এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী লক ডাউনের সময় কৃত্রিম অভাব তৈরি করে কালোবাজারি করছেন বলে অভিযোগ তুলছেন সাধারণ মানুষ । জেলা প্রশাসনের এ ব্যাপারে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তাঁরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় সবচেয়ে বেশি চাল উৎপন্ন হয়। জেলার চাহিদা মিটিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত ও বাইরের রাজ্যে চাল যায় এই জেলা থেকে। সেই জেলার বাসিন্দাদেরও লক ডাউনে চড়া দামে চাল কিনতে হচ্ছে। লক ডাউনের আগে যে চাল ছিল আটত্রিশ টাকা কেজি সেই চাল এখন বিক্রি হচ্ছে পঁয়তাল্লিশ টাকা কেজি দরে।

আকাশছোঁয়া সব রকমের ডালের দাম। লক ডাউনের আগে মুসুর ডালের কেজি ছিল ১১০ টাকা। এখন সেই ডালের কেজি প্রতি দাম ১২০ টাকা। মুগ ডাল লক ডাউনের আগে ১৪০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হয়েছে। তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা কেজি দরে। লক ডাউনের আগে ছোলার ডাল ছিল ৭০ টাকা কেজি। এখন তা কেজি প্রতি ৭০-৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরষের তেলের এখন কেজি প্রতি দাম একশো কুড়ি একশো পঁচিশ টাকা। লক ডাউনের আগে তার দাম ছিল একশো পাঁচ টাকা। মুড়ি লক ডাউনের আগে চুয়াল্লিশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। এখন তার কেজি প্রতি দাম পঞ্চান্ন টাকা। মটর ডাল থেকে সুজি, আটা, ময়দা থেকে শুরু করে দাম বেড়েছে প্রায় প্রতিটি জিনিসেরই।

পাইকারি বিক্রেতারা বলছেন, যান বাহন চলছে না। খাদ্য সামগ্রী আনতে খরচ বেশি পড়ছে। খুচরো বিক্রেতারা বলছেন, সুযোগ বুঝে মুনাফা লুটছেন বড় ব্যবসায়ীদের অধিকাংশই। অনেকেরই গোডাউনে অতিরিক্ত সামগ্রী মজুত ছিল। লক ডাউনের দোহাই দিয়ে তারা এখন সেসব বেশি দামে বিক্রি করছে। এমনিতেই লক ডাউনে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। উপার্জন নেই। হাতে অর্থও নেই। সেই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্তদের বাড়তি দামে জিনিস কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে।

Saradindu Ghosh

First published: April 15, 2020, 11:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर