corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাজার করা তো দূর অস্ত, অনলাইনে অর্ডারই করতে পারছেন না ক্রেতারা !

বাজার করা তো দূর অস্ত, অনলাইনে অর্ডারই করতে পারছেন না ক্রেতারা !

লকডাউনের শুরুতে পুলিশ রাস্তায় যে ভাবে ধরপাকড় শুরু করেছে, তাতেই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে 'লকডাউন' ঘোষণা হওয়ার পরে বাড়িতে অপূর্ব দত্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চাল-ডাল-নুন-তেল যা-ই লাগুক না কেন, অনায়াসে তা কিনে নেওয়া যাবে অনলাইনে। ফলে করোনার আতঙ্ক নিয়ে অন্য লোকের সঙ্গে ঘেঁষাঘেঁষি করে মুদির দোকানে লাইন দেওয়ার প্রয়োজনই নেই।  কিন্তু অনলাইন শপিংয়ে বাজার করতে ঢুকে চক্ষু চড়কগাছ আম মধ্যবিত্তের। বাজার করা তো দূরের কথা অনলাইনে অর্ডারই করতে পারছেন না অপূর্বরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনলাইন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলিতে লিখে দেওয়া হচ্ছে, 'এখন আমরা পরিষেবা দিতে অপারক। কিছুক্ষণ পরে চেষ্টা করে দেখুন।'

সাধারণ ভাবে অনলাইনে কেনাকাটা এবং তা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ায় ডেলিভারি বয়দের আনাগোনার উপর লকডাউনে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। তা হলে কেন জিনিস মিলবে না, তা ভেবে পাচ্ছেন না কলকাতাবাসী। অপূর্বর স্ত্রী মৌপিয়া দত্ত বলেন, "আমরা অনেক কিছুই অনলাইনে কিনে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। তা না পেয়ে আমরা বেশ অসুবিধায় পড়ে গিয়েছি।"  কলকাতারই এক বাসিন্দা শর্মিলী রায়চৌধুরী বলেন, "আমরা তো ভিড় এড়াতে অনলাইন শপিংয়ের ওপরই ভরসা করেছিলাম। এখন বেশ ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি।" আর এক বাসিন্দা সুমন রায়চৌধুরী বলেন, "লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়ানো, তার পরে বস্তা বস্তা মাল বয়ে নিয়ে আসা, এই হ্যাপা এড়াতে অনলাইনে কেনাকাটা করাই সবচেয়ে সুবিধেজনক। কিন্তু তা বন্ধ হওয়ায় বেজায় মুশকিলে পড়েছি।"

কিন্তু কেন এমন হাল?  রাজ্য প্রশাসনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, পুলিশের অতিসক্রিয়তার ঠেলাতেই আপাতত অনলাইন ডেলিভারি কার্যত বন্ধ রেখেছে আমাজন, বিগ বাস্কেটের মতো সংস্থাগুলি। লকডাউনের শুরুতে পুলিশ রাস্তায় যে ভাবে ধরপাকড় শুরু করেছে, তাতেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, "পুলিশ বাছবিচার না করে সবাইকেই আটকেছে। ফলে ডেলিভারি বয়রাও তাতে আটকে পড়েছেন। ভয়ে পর দিন থেকে তাঁরা আর বেরই হননি। এতে সমস্যা হয়েছে। তার উপরে সংস্থাগুলি কী ডেলিভারি করতে পারবে আর কী পারবে না, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে।" তবে প্রশাসনের কর্তারা আশা দিচ্ছেন কিছুদিনের মধ্যেই এই ধোঁয়াশা কেটে যাবে।

SHALINI DUTTA

Published by: Piya Banerjee
First published: March 26, 2020, 6:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर